1 Answers
উদ্দীপকের মারুফ বলেন, কিছুসংখ্যক মানুষকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য সর্বনিম্নস্তরেও নামানো হবে।
পবিত্র কুরআনের সূরা আত্-তীন পাঠের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, আল্লাহ তায়ালা মানুষকে অতি সুন্দর আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তাকে জ্ঞানে বিভূষিত করেছেন। এজন্য মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব তথা আশরাফুল মাখলুকাত বলা হয়। মানুষের আকৃতি যেমন অত্যন্ত চমৎকার। তেমনি তাঁর দেহ সুষ্ঠু ও সুসামঞ্জস্যপূর্ণ। মানবজাতির দুটি শ্রেণি রয়েছে। এ দুটি শ্রেণির কর্মফল ও পরিণতি এক নয়। গুনাহে পতিত মানুষের জন্য শাস্তি এবং উন্নত চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তির জন্য পুরস্কার অবধারিত। মারুফের উক্তির মাধ্যমে গুনাহে পতিত মানুষের কথা বলা হয়েছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত উক্তির মাধ্যমে মারুফ গুনাহে পতিত খারাপ চরিত্রের লোকদের ইঙ্গিত করেছেন। যখন মানুষ নিজ দেহ ও শক্তিকে অন্যায় ও পাপের কাজে প্রয়োগ করে। তখন সে ধীরে ধীরে অধঃপতনের এমন অতল তলে নিমজ্জিত হয়, যার নিচে আর কোনো স্তর নেই। মানবসমাজে এরূপ ঘটনা ব্যাপকভাবে লক্ষ করা যায়। লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা, হিংসা-দ্বেষ, ক্রোধ মানুষকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে দেয়। তখন তার হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। সে তখন চতুষ্পদ জন্তু থেকেও নিকৃষ্ট হয়ে যায়।