1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত আয়াতগুলো সূরা আল-ইনশিরাহ-এর অন্তর্গত। বর্তমান সমাজে সূরা ইনশিরাহ-এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ সূরার মাধ্যমে আমরা এ শিক্ষাই পাই যে, বর্তমান সময়ে একজন মুসলিম আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য রাসুল (স.)-এর পথ বেছে নেবেন। কারণ তিনি জানেন আল্লাহ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সাহস দিয়ে আল্লাহর রাসুল - (স.)-এর বক্ষ প্রশস্ত করেছেন। দাওয়াতকালীন রাসুল (স.)-কে যে নিন্দা ও অপবাদ দেওয়া হয়েছে এবং সমাজের কুসংস্কার রাসুল (স.)-কে যে কষ্ট দিয়েছে তা থেকে তার বোঝা অপসারণ করা হয়েছে। বাতিল শক্তির বিরুদ্ধে, তাদের সকল ষড়যন্ত্রের মধ্যে আল্লাহ রাসুল (স.)-এর খ্যাতিকে উচ্চকিত করেছেন। এক্ষেত্রে একজন মুসলিমকে নিজের কাজকর্ম থেকে অবসর পাওয়ার সাথে সাথেই আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করতে হবে। দাওয়াতকালে- কঠিন বিপদ ও সমস্যার সম্মুখীন হলে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে হবে। তা হলে আল্লাহ সাহায্য করবেন। দীন প্রচারের ক্ষেত্রে বিরোধী পক্ষের দুর্নাম ও অপবাদের ভয় আসবে তাতে থেমে থাকলে চলবে না। আল্লাহ নিশ্চয়তা দেন যে কষ্টের পরেই স্বস্তি। আল্লাহ মহানবি (স.)-এর বক্ষ যেভাবে উন্মুক্ত করেছেন, বোঝা হালকা করেছেন, খ্যাতিকে উচ্চকিত করেছেন, তেমনিভাবে দীনের দাওয়াতিকে আল্লাহ সাহায্য ও সহযোগিতা করবেন। অতঃপর ব্যক্তি যখন কুরআন ও হাদিস মোতাবেক পরিবার ও সমাজ গঠন করবে তখন দেশ ও জাতি পাবে শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ যা আমাদের সকলেরই কাম্য।