1 Answers
উদ্দীপকে উল্লেখিত দ্বিতীয় ধাপে নির্দেশকৃত আশ্রমটি হলো গার্হস্থ্য আশ্রম। এ গার্হস্থ্য আশ্রমে বিবাহের মতো পরম কর্তব্য পালনে সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়।
মানব জীবনের দ্বিতীয় পঁচিশ বছর গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্ভুক্ত। এ আশ্রমে বিবাহের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততি লাভ করে সুখময় পারিবারিক জীবন গড়ে তুলতে হয় এবং এর দ্বারা সমাজে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকে রবিন যে মনীষী সম্পর্কে জেনেছে তার জীবনের দ্বিতীয় ধাপে দেখানো হয়েছে যে, তিনি বিবাহ করে গুরুর নিকট প্রাপ্ত শিক্ষা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে লাগলেন। এটি গার্হস্থ্য আশ্রমকে নির্দেশ করছে। গার্হস্থ্য আশ্রমে বিবাহের মাধ্যমে সন্তান-সন্ততি লাভ এবং তাদের ভরণ-পোষণসহ পারিবারিক জীবনে প্রতিদিন পাঁচটি যজ্ঞ কর্মের অনুশীলন করতে হবে। এগুলো হলো- পিতৃযজ্ঞ, দৈবযজ্ঞ, ভূতযজ্ঞ, নৃযজ্ঞ ও ঋষিযজ্ঞ। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। মানুষ তার দৈনন্দিন চাহিদা যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ইত্যাদি সমাজের ভিন্ন ভিন্ন লোকের নিকট থেকে পেয়ে থাকে। সামাজিক চাহিদার কারণে মানুষ মঠ, মন্দির, উপাসনালয়, বিদ্যালয়, চিকিৎসালয় ইত্যাদি স্থাপনের মধ্য দিয়ে সেবাধর্ম অনুশীলন করে। এ সমস্ত কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি সমাজের প্রতি তার কর্তব্য সম্পাদন করে। এটিকেই বলা হয় গার্হস্থ্য আশ্রমের কর্ম। ব্রহ্মচর্য শেষে বিবাহ করে সংসারধর্ম পালন করা গার্হস্থ্য আশ্রমের অন্তর্গত।