1 Answers
ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় বলেই কমলের দেখা বিষয়গুলো শৃঙ্খলা মেনে পরিচালিত হচ্ছে- বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্রহ্মরূপে স্রষ্টা নিরাকার, নির্গুণ। ব্রহ্ম, যখন জীব ও জগতের ওপর প্রভুত্ব করেন, তখন তিনি ঈশ্বর। ঈশ্বর নিরাকার, তবে প্রয়োজনে সাকার রূপ ধারণ করতে পারেন। ঈশ্বর যখন ভক্তের ডাকে সাড়া দেন, তার কাছে আসেন, নানারকম লীলা করেন তখন তাঁকে বলা হয় ভগবান। আবার মঙ্গলকর কোনো উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ঈশ্বর যখন জীবরূপ ধারণ করে পৃথিবীতে অবতরণ করেন তখন তাঁকে অবতার বলে। ব্রহ্ম, ঈশ্বর, ভগবান এবং অবতার আলাদা নন। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বের সকল জীবকুল ও চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা, নক্ষত্র সবই বিশ্ব প্রকৃতির অংশবিশেষ এবং ঈশ্বরের নির্দেশ অনুসারে যে যার ভূমিকা পালন করছে। হিন্দুর্ধম শাস্ত্রানুসারে ঈশ্বরকে মহাশক্তি হিসেবে অভিহিত করা হয়। ঈশ্বর এ মহাশক্তির উৎস বলেই তিনি এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন। চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, তারা প্রভৃতি ঈশ্বরের সৃষ্টি- যা নিয়মতান্ত্রিকভাবে এ মহাবিশ্বে অবস্থান করছে। প্রত্যুষে সূর্য উদিত হয়, বিকেলে অস্ত যায়, এটি মহাবিশ্বের একটি শৃঙ্খলা। আর বিশ্বের এ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় স্রষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
সুতরাং বলা যায়, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় বলেই কমলের দেখা বিষয়গুলে শৃঙ্খলা মেনে পরিচালিত হচ্ছে।