1 Answers
উদ্দীপকের টুটুল আমাদের সমাজের একটি আদর্শ চরিত্র। সে বখাটেদের অত্যাচার থেকে ভদ্র ছেলে সজীবকে রক্ষা করে এবং উভয়ের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করে। বখাটেদের অত্যাচারের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সে প্রসঙ্গত মহানবি (স.)-এর একটি হাদিস উল্লেখ করে। মহানবি (স.) বলেছেন, “কোনো মুসলমান অপর মুসলমানের ওপর জুলুম করতে পারে না।" এভাবে বখাটেদের অত্যাচার থেকে সজীবকে রক্ষা করা, দু পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করা এবং মহানবি (স.)-এর বাণীর মাধ্যমে বখাটেদের সঠিক পথের সন্ধান জানানোর যে কাজটি টুটুল করেছে, সামাজিক শৃঙ্খলা বিধানে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রশংসনীয়। এখানে টুটুলের সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় পাওয়া যায়। এখানে টুটুলের Diplomatic policy অনুধাবনযোগ্য। টুটুল যদি সজীবকে কেবল বখাটেদের হাত থেকে রক্ষা করত, তাহলে বখাটেদের দ্বারা অনুরূপ কর্মকান্ড পরবর্তীতে হওয়ারও সম্ভাবনা থাকত। অন্যদিকে, সজীবের মনেও হয়তো ক্ষোভ থেকে যেত। ফলে সজীব পরবর্তীতে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করত। এতে করে বিশৃঙ্খলা নিরসন হতো না, বরং সৃষ্টি হতো। কাজেই দুজনের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা দুপক্ষ থেকে পরবর্তীতে শান্তি ভঙ্গের অপচেষ্টা রোধ করেছে।
পরিশেষে বলা যায়, টুটুল বখাটেদের মহানবি (স.)-এর বাণী শুনিয়ে কেবল সজীবকে নয় বরং একটি সম্ভাবনাময় কতিপয় বখাটের বিশৃঙ্খলা থেকে সমাজকে রক্ষা করেছে। পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে যেকোনো ক্ষেত্রে অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকতে বখাটেদের বিশেষভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে।