1 Answers
আর্থিক প্রেষণার পাশাপাশি অনার্থিক প্রেষণাও প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জনে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষাকে প্রভাবিত করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার আগ্রহ সৃষ্টিই প্রেষণার উদ্দেশ্য। প্রেষণা বিদ্যমান থাকলে কর্মীরা উৎসাহী ও স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে কাজ করে।
মিসেস তাসনুভা তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সারাবছর বেতন ছাড়া কোনো সুবিধা দিতে পারেন না। শুধু দুই ঈদে কর্মীদের কিছু অর্থ দেওয়ার চেষ্টা করেন। কর্মীদের সাথে ভালো ব্যবহারও তিনি করে থাকেন।
মিসেস তাসনুভা অর্থের মাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা প্রদান না করতে পারলেও অনার্থিক প্রেষণা দান করেন। কর্মীরা যাতে ছেলেমেয়ে ও পরিবার নিয়ে কিছুটা আনন্দ করতে পারে এজন্য তিনি কিছু অর্থ বোনাস হিসাবে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এছাড়া কর্মীদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন যা প্রেষণার অন্তর্ভুক্ত। ফলে কর্মীরা তাকে ছেড়ে যেতে চায় না। তারা কাজে ফাঁকি না দিয়ে মনোযোগের সহিত কাজ করে। ফলে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জন অর্থাৎ মুনাফা আশানুরূপ হচ্ছে। তাই বলা যায়, অনার্থিক প্রেষণাও প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যার্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।