1 Answers
নবজাতকের সুস্থতার বৈশিষ্ট্যসমূহ লক্ষ করে স্বাস্থ্যকর্মী ফাহিমের ভাইকে সুস্থ বলে অভিহিত করেন।
মাতৃগর্ভে ২৭০/২৮০ দিন অতিবাহিত করার পর শিশু জন্মগ্রহণ করে। শিশুর দৈহিক বিকাশধারায় স্বাতন্ত্র্য লক্ষ করা যায়। কতকগুলো বিকাশমূলক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করে শিশুকে সুস্থ বলা যায়।
জন্মের সময় নবজাতকের ওজন ২.৫ থেকে ৩.৫ কেজি থাকে। জন্মের পর দৈহিক বিকাশের হার পরবর্তী সময়ের তুলনায় দ্রুত হয়। জন্মের পর প্রথম দুই সপ্তাহে ওজন কিছুটা হ্রাস পেলেও দুই সপ্তাহ পর থেকে আবার বাড়তে থাকে।
স্বাস্থ্যকর্মী নবাজতকের ওজন পরীক্ষা করে দেখেন তা সঠিক আছে। জন্মের সময় নবজাতকের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ সে.মি. বা ১৯ ইঞ্জি হয়। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের ওজন ও উচ্চতা অপেক্ষাকৃত বেশি থাকে। স্বাস্থ্যকর্মী নবজাতকটির উচ্চতা পরিমাপ করে দেখেন তা সঠিক আছে। নবজাতকের স্নায়ুতন্ত্র অপরিণত থাকে। ফলে তার নড়াচড়া অর্থবোধক নিয়ন্ত্রনাধীন হয় না। কোনো উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দিতে শিশু সম্পূর্ণ শরীর সঞ্চালন করে। চোখের পাতা খোলা-বন্ধ করা, হাই তোলা, চোষা, গিলে ফেলা ইত্যাদি প্রতিবর্তী ক্রিয়া ভূমিষ্ট হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়। উদ্দীপকের স্বাস্থ্যকর্মী নবজাতকের প্রতিবর্তী ক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে দেখলেন তা সঠিক আছে। তাই তিনি শিশুকে সুস্থ বলেন। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নবজাতকের ওজন, উচ্চতা ও প্রতিবর্তী ক্রিয়া ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য দেখে সে সুস্থ কিনা তা বলা যায়। স্বাস্থ্যকর্মী উক্ত বৈশিষ্ট্যসমূহ পর্যবেক্ষণ করেই শিশুটিকে সুস্থ বলেন।