1 Answers
প্রতিটি শিশুই বিকাশের স্বতন্ত্র ধারানুযায়ী বিকাশ লাভ করে। সধারণত সকল শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ একই রকম হয় না। দৈহিক বিকাশ ও বৃদ্ধিতে তারতম্য থাকা সত্ত্বেও নবজাত শিশুর বিকাশ ধারা নিম্নোক্ত ভাবেই হয়ে থাকে।
মাতৃগর্ভে ২৭০-২৮০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সোহেল সাহেবের সন্তান ভূমিষ্ট হয়। তার সন্তানের দৈহিক পরিবর্তনগুলো অন্য সব নবজাতকের মতোই ছিল। যা দেখে ডাক্তার তাকে সুস্থ বলে মত দেন। যেমন- তার সন্তানটির ওজন সাত বা সাড়ে সাত পাউন্ড এবং উচ্চতা ১৮/১৯ ইঞ্চি ছিল। মাংসপেশি নরম তুলতুলে থাকায় পেশি সঞ্চালন নিয়ন্ত্রণ করতে পারত না। সে সহজেই তার নরম অস্থির সহায়তায় বেঁকে যেতে পারে। তার দেহের চামড়ায় রক্তাক্ত ভাব রয়েছে। তার নাড়ির গতি দ্রুত, হৃদস্পন্দন দ্রুত ও দেহের তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করছিল। একটু পর পরই ক্ষুধার্ত হয়ে কেঁদে উঠছিল। প্রতিবর্তী ক্রিয়াগুলোও সচল ছিল। যেমন- হঠাৎ চমকে ওঠা, দেহকে কিছুটা শক্ত করা, অনিয়ন্ত্রিত অঙ্গসঞ্চালন ক্ষমতা থাকা, চোয়ালে হাত দিলে মুখ সেদিকে ঘুরিয়ে রাখা, পায়ের পাতা স্পর্শ করলে পা টান দিয়ে সরিয়ে ফেলা, আঘাত পেলে সরিয়ে ফেলা তীব্র আলোতে চোখ বন্ধ করে ফেলা ইত্যাদি নবজাতকের দৈহিক বিকাশের অন্তর্ভুক্ত। সোহেলের সন্তানের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলোই পরিলক্ষিত হয়।