1 Answers
তারুণ্যের প্রধান নৈতিক ও সামাজিক সমস্যাগুলোর মধ্যে মাদকাসক্তি অন্যতম।
বাবা-মায়ের মধ্যে মনোমালিন্য, পরিবারে সমস্যা, ঝগড়া-বিবাদ, অসফলতা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে উপেক্ষিত তরুণেরা সাধারণত মাদকাসক্ত হয়ে।
তরুণেরা বন্ধুবান্ধব অথবা কোনো পরিচিত জনের উৎসাহে মাদকদ্রব্য গ্রহণ শুরু করে এবং পরবর্তীতে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এসব দ্রব্য সম্পর্কে জানা থাকলে তরুণরা সচেতন হবে এবং মাদকদ্রব্য থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে। তরুণদের যেসব লোকজন মাদকদ্রব্য সম্পর্কে প্রলুব্ধ করে তাদের এড়িয়ে চলতে হবে। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ বা ঠান্ডাজনিত কোনো ট্যাবলেট বা সিরাপ অনেক সময় নেশা তৈরি। করে। এসব ওষুধ বন্ধু বা কোনো ব্যক্তির পরামর্শ বা চাপে গ্রহণ করা যাবে না। যেসব ব্যক্তি মাদকদ্রব্য গ্রহণ করে তাদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে। পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠদের শিশুকাল থেকে সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করা প্রয়োজন। অসফলতার কারণে নিজেকে বিফল মনে করলে চলবে না। অবসর সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখা যেমন- বাগান করা, বই পড়া বা কোনো সৃজনশীল কাজ করতে হবে।
সুতরাং গণসচেতনতার সৃষ্টির লক্ষ্যে মাদকমুক্ত থাকার কৌশল হিসেবে বিভিন্ন রকম মাদকবিরোধী পোস্টার তৈরি, র্যালি, সমাবেশ, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকা রাখলে মাদকদ্রব্য থেকে তরুণেরা নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে পারবে