1 Answers

উদ্দীপকের সজীব তকদিরে বিশ্বাস করে না। সে বলে বেড়ায়, পরকাল বলতে কিছুই নেই। অপরদিকে, সবুজ আজমীরে গিয়ে খাজা বাবার মাজারে সন্তান চেয়ে সিজদা দেয়। মওলানা আবদুস সামাদ উভয়ের কর্মকান্ড পর্যালোচনা করে বলেন, "উভয়ের কর্মকান্ড ইসলামের পরিপন্থি। পরকালে তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।"

আমরা বুঝতে সক্ষম হই যে, প্রথমত সজীবের কাজটি কুফরের পর্যায়ে পড়ে। আর কুফরের শাস্তি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, "যারা কুফরি করবে এবং আমার নিদর্শনগুলোকে অস্বীকার করবে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।"(সূরা আল-বাকারা: ৩৯)

অন্যদিকে, সবুজের কর্মকান্ড শিরকের পর্যায়ভুক্ত। শিরকের অপরাধ যে কত জঘন্য সে সম্বন্ধে আল্লাহ পাক বলেন-

إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ

অর্থ: "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। তাছাড়া অন্য যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।" (সূরা আন-নিসা : ৪৮)

অতএব উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে আমরা বলতে পারি, মওলানা আব্দুস সামাদের মন্তব্য যথার্থ হয়েছে। অর্থাৎ পরকালে তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি। তবে আন্তরিকভাবে তাওবা করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে ও ইমানের বিপরীত আর কিছু না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং ইমানের দাবি অনুসারে কাজ করলে আল্লাহ পাক দয়া করে তাদের এ অপরাধ ক্ষমা করে দিতে পারেন।

5 views

Related Questions