1 Answers
উদ্দীপকের জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানের সফলতার জন্য সকলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে অর্থাৎ সমন্বয় করে নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে চান।
বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগের কাজকে একসূত্রে গ্রথিত ও সংযুক্ত করার কাজকে সমন্বয় বলে। একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও বিভাগ কাজ করে। প্রতিটি ব্যক্তি ও বিভাগ যদি নিজেদের ইচ্ছামতো কাজ করে, অন্যের সাথে নিজের কাজের সমন্বয় বা সংযুক্তি না ভাবে তবে দেখা যাবে এক পর্যায়ে সামগ্রিক কাজে প্রচন্ড বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে। তাই সম্মিলিত যেকোনো কাজে সকল ব্যক্তি ও বিভাগকে প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য অর্জন বা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অন্যের সাথে সমন্বয় করে চলার প্রয়োজন রয়েছে। উৎপাদন বিভাগ যদি ইচ্ছামতো উৎপাদন করে এবং বিক্রয় বিভাগ তার সাথে তালমিলিয়ে বিক্রয় করতে ব্যর্থ হয় তবে একপর্যায়ে পণ্য অবিক্রীত থাকবে এবং গুদামজাতকরণে সমস্যা দেখা দিবে।
উদ্দীপকে জনাব জোবায়ের ২০১৪ সালে তার প্রতিষ্ঠান থেকে ২ লক্ষ পিস শার্ট বিক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করলেন। কিন্তু তিনি তা বিক্রয় বিভাগ, বাজারজাতকরণ বিভাগ ও অর্থবিভাগের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ না করায় অনেক শার্ট অবিক্রীত থেকে যায়। যার কারণে গুদামজাতকরণে সমস্যা দেখা দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটি প্রচুর আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হয়।
এমতাবস্থায় জনাব জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানে সকল নীতিমালা নতুন করে সাজানোর চিন্তা করছেন। কারণ সকলের সাথে আলাপ- আলোচনা না করে নীতিমালা তৈরি করলে লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়। অর্থাৎ উদ্দীপকের জোবায়ের তার প্রতিষ্ঠানের সফলতার জন্য সকলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে অর্থাৎ সমন্বয় করে নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে সফলতা অর্জন করতে চাওয়া যৌক্তিক এবং যথার্থ।