1 Answers
প্রতিষ্ঠানে অনেক সময় কর্মরত কর্মীদের মধ্য হতে বা তাদের মাধ্যমে কর্মীসংগ্রহ করা হয়ে থাকে। একে কর্মীসংগ্রহের অভ্যন্তরীণ উৎস বলে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে অন্যতম হলো নিয়োজিত কর্মীদের সুপারিশ এবং শ্রমিক সংঘের সুপারিশ। এ উৎস থেকে কর্মীসংগ্রহ সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
কর্মীদের বা শ্রমিক সংঘের সুপারিশে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হলে কর্মীদের আনুগত্য বৃদ্ধি পায়। কর্মীদের যোগ্যতা ও আচার-আচরণ সম্পর্কে পূর্ব ধারণা থাকে। ফলে যোগ্য কর্মীসংগ্রহ করা সম্ভব হয় এবং তাদের মনোবল উন্নত হয়। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জনশক্তির মনোবল উন্নত হলে তারা কার্যক্ষেত্রে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে দক্ষতার সাথে কার্যসম্পাদনের চেষ্টা করে। তখন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
প্রতিষ্ঠানের বাইরে থেকে কর্মীসংগ্রহের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রদান, আবেদনপত্র সংগ্রহ, বাছাই, পরীক্ষা গ্রহণ ইত্যাদি নানান কাজে যথেষ্ট সময়ক্ষেপণ ও ব্যয়ের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া তা প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি বাড়তি ঝামেলারও কারণ হয়। নতুন কর্মী নিয়োগের পর তাকে প্রশিক্ষণ দিতেও বেশ সময় লাগে এতে পরোক্ষ ব্যয় বৃদ্ধি পায়। অথচ প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তর থেকে কর্মীসংগ্রহে এরূপ কোনো ব্যয় বা ঝামেলার প্রয়োজন হয় না। ফলে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা শ্রমিক সংঘের মধ্যে কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলারও সৃষ্টি হয় না। প্রকারান্তরে, কর্মীরাও খুশি থাকে।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকে জাওয়াদ সাহেব প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে শ্রমিক ইউনিয়ন ও কর্মরত কর্মকর্তাদের সুপাশিকে গুরুত্ব দিয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে কর্মীসংগ্রহ যৌক্তিক।