1 Answers
আধুনিক ও বৃহৎ আয়তন প্রতিষ্ঠানে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর প্রয়োগ অধিক কার্যকর যা উদ্দীপকের আলোকে যথার্থ।
বহুমুখী সাফল্যের জন্য বর্তমানে কার্যভিত্তিক সংগঠনের কার্যকারিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।' প্রতিষ্ঠানের কার্যের প্রকৃতি ও গুরুত্ব এবং বিশেষজ্ঞতা ও শ্রমবিভাগের নীতি অনুসরণ করে যে সংগঠন কাঠামো প্রণীত হয়, তাকে কার্যভিত্তিক সংগঠন বলা হয়।
কার্যভিত্তিক সংগঠনে বিশেষজ্ঞ নির্বাহী নিয়োগ করা হয়। এতে নির্বাহী দক্ষতার সাথে তত্ত্বাবধান ও কার্যসম্পাদন করতে পারে। ফলে উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এ সংগঠনের কর্মীরা বিশেষায়নের নীতি অনুসরণ করে আধুনিক প্রযুক্তি, ও পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করার সুযোগ পায়। এতে প্রতিষ্ঠানের কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
কার্যভিত্তিক সংগঠনের শ্রমিকেরা বিশেষজ্ঞের অধীনে কাজ করার সুযোগ পায়। ফলে কর্মীরা উৎসাহসহকারে কার্যসম্পাদনে এগিয়ে আসে। কার্যভিত্তিক সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ যাবতীয় সম্পদ ও পদ্ধতি পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে পারে। এতে কোনো সম্পদের অপচয় হয় না। ফলে সংগঠনের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায়। এ সংগঠনে শ্রমের যথাযথ বিভাজন সম্ভব হয়। কার্যভিত্তিক সংগঠন প্রবর্তিত হলে কর্মীর দক্ষতা বাড়ে। ফলে দক্ষ কর্মী স্বতঃস্ফূর্তভাবে উৎপাদন কাজে মনোনিবেশ করতে পারে এতে ব্যাপক ও বৃহদায়তনে উৎপাদনকার্য পরিচালনা করা সম্ভব হয়। উদ্দীপকের প্রতিকী হাউজিং লি. কোম্পানিটি তাদের সাংগঠনিক কাঠামোয় কাজগুলোকে প্রকৃতি অনুযায়ী ভাগ করে বিশেষজ্ঞ কর্মীকে তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব প্রদান করে। অর্থাৎ উক্ত প্রতিষ্ঠানে কার্যভিত্তিক সংগঠন চালু হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়।
সুতরাং বলা যায়, আধুনিক ও বৃহৎ আয়তন প্রতিষ্ঠানে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর প্রয়োগ অধিক কার্যকর যা উদ্দীপকের আলোকে যথার্থ।