1 Answers

উদ্দীপকের ২য় পর্যায়ের সংগঠনটি হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি, যা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

যে সীমাবদ্ধ কোম্পানিতে কমপক্ষে সদস্য সংখ্যা ৭ জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা শেয়ার সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য এবং জনগণের নিকট শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারে তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে। কোম্পানি সংগঠনের উন্নততর সংস্করণই হলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উদ্দীপকে রাইসাদের প্রথম পর্যায়ের সংগঠনটি হলো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। তারা সাফ্যল্যের সাথে তাদের ব্যবসায়টি পরিচালনা করায় ৫ বছর পর তাদের প্রতিষ্ঠানটিকে বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চায়। যেখানে তাদের প্রতিষ্ঠানে সাধারণ জনগণের মালিকানা গ্রহণের সুযোগ থাকবে এবং প্রয়োজনে জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রয় করে মূলধন সংগ্রহের ব্যবস্থা থাকবে। ৬ মাসের মধ্যে তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের ধরন পরিবর্তন করে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত করে।

পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির সদস্য সংখ্যা অধিক থাকার সুবাধে এবং যে কোনো সময় জনগণের উদ্দেশ্যে শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয়ের আহবান জানানোর সুযোগে এই সংগঠন অনেক বৃহদায়তন কোম্পানি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আর প্রতিষ্ঠান যখন বৃহদায়তন আকার ধারণ করে তখন দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং দেশের বেকার সমস্যার সমাধান হয়। যা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি জনগণের নিকট শেয়ার ও ঋণপত্র বিক্রয় করতে পারে, ফলে তারা অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে যা প্রাইভেটে সম্ভব হয় না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ২য় পর্যায়ের সংগঠনটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক অবদান রাখতে সক্ষম।

5 views

Related Questions