1 Answers
কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছাই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রাখতে পারবে না। তবে এটি অন্যতম শর্ত হিসেবে কাজ করে।
সম্পদের সুসম বণ্টন ও জনকল্যাণের উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যাপকভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় খাত পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সার্বিক অদক্ষতা, দুর্নীতি, লুটপাট, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দুনীতি ও স্বজনপ্রীতি ইত্যাদি বহুবিধ কারণে এসব প্রতিষ্ঠান উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যর্থ হয় এবং দ্রুত ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি এসে দাঁড়ায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, লুটপাট বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্বপ্রদান, স্বজনপ্রীতি বন্ধ করাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনকল্যাণের বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে প্রায়ই একচেটিয়া ব্যবসায়ের মাধ্যমে প্রচুর মুনাফা অর্জন করছে। ফলে জনগণ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থা মোকাবিলায় রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য বলে অনেকেই মনে করেন। রাজনৈতিক সদিচ্ছা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে অবদান রাখতে সমক্ষ হবে ঠিকই। কিন্তু কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছাই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রাখতে সক্ষম নয়। তাছাড়া দুর্নীতি, অদক্ষতা, স্বজনপ্রীতি; লুটপাট প্রভৃতি বিষয়গুলো শুধু রাজনৈতিক সদিচ্ছার মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছাই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রাখতে পারবে না। তবে এটি অন্যতম শর্ত হিসেবে কাজ করে।