1 Answers
উদ্দীপকে মারুফের পরিলক্ষিত দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্য।
পুরুষশাসিত সমাজে নারীদেরকে বিভিন্নভাবেই পিছিয়ে রাখা হয়েছে। তাদেরকে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নারীদের অংশগ্রহণ নেই বলে আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। আমাদের সমাজে এখনো মনে করা হয়, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ নারীদের জন্য জরুরি নয়। ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ এখনো আশানুরূপ বৃদ্ধি পায়নি।
জেন্ডারভিত্তিক সামাজিক বৈষম্যের কারণে আমাদের পুরুষশাসিত সমাজ নারীদের কাজকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে পারে না। ঘরে নারীরা যে কাজ করে তার কোনো আর্থিক মূল্য নেই। তাছাড়া ঘরের বাইরেও নারীদেরকে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়োজিত হওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয় না। নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। এজন্য আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিও ততটা মজবুত নয়।
উদ্দীপকে মারুফ রাতের বেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতে পারলেও তার বোনের ক্ষেত্রে বাবা-মার নিষেধ রয়েছে। বাড়িতে বড় মাছ রান্না হলে সেটার মাথা সব সময় মারুফই খেয়ে থাকে। এগুলো ছাড়াও জেন্ডারের কারণে আরো অনেক বৈষম্য পরিলক্ষিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, জেন্ডারের ভিত্তিতে সৃষ্ট সামাজিক বৈষম্যের কারণে নারীরা সমাজের সব ক্ষেত্রেই হেয়প্রতিপন্ন ও উপেক্ষিত হচ্ছে।