5 Answers

ওজন কমানোর কিছু খাদ্য :- ++ তাজা ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি হলো কম ক্যালরিযুক্ত খাদ্য, তাই যাদের ওজন বেশি তাদের বেশি করে এগুলো খাওয়া উচিত। ++ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া পরিহার করতে হবে। কারণ, লবণ শরীরের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। ++ দুধযুক্ত খাবার, যেমন :পনির, মাখন— এগুলো পরিহার করতে হবে। কারণ, এগুলো উচ্চ চর্বিযুক্ত। সঙ্গে মাংস ও আমিষজাতীয় খাবারও নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে। ++ উচ্চ শর্করাসমৃদ্ধ খাদ্য, যেমন—চাল, আলু অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় খেতে হবে, আর গম (আটা) খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। ++ মসলাজাতীয় খাবার, যেমন :আদা, দারুচিনি, কালো মরিচ এগুলো প্রতিদিনের খাবারে রাখতে হবে। মসলাজাতীয় খাবার হলো ওজন কমানোর কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি। ++ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ওজন কমানোর আরেকটি ভালো উপায় হলো মধু খাওয়া। মধু দেহের অতিরিক্ত জমানো চর্বিকে রক্ত চলাচলে পাঠিয়ে শক্তি উত্পাদন করে, যা ব্যবহূত হয় দেহের স্বাভাবিক কার্যকলাপে। মধু খাওয়া প্রথমে শুরু করতে পারেন অল্প পরিমাণে, যেমন—এক চামচ বা ১০০ গ্রাম, যা হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন। ++ যারা পথ্য নিয়ন্ত্রণের নিয়ম মেনে চলেন বা দিনের পর দিন উপবাস করেন ওজন কমানোর জন্য, তাদের জন্য মধু ও লেবুর রস খুবই উপকারী। এটি কোনো ধরনের শক্তি ও ক্ষুধা নষ্ট করে না। এ ধরনের চিকিত্সায় এক চামচ টাটকা মধুর সঙ্গে আধা চামচ কাঁচা লেবুর রস আধা গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে নির্দিষ্ট বিরতি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকবার খেতে হবে। ++ বাঁধাকপিকে ওজন কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হিসেবে ধরা হয়। বাঁধাকপি মিষ্টি ও শর্করাজাতীয় খাবারকে চর্বিতে রূপান্তর করতে বাধা দেয়। এ জন্য বাঁধাকপি খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে ওজন কমাতে। এটিকে কাঁচা অথবা রান্না করেও খাওয়া যায়। (copied)

3428 views

আপনার প্রথমে আপনার খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনতে হবে।চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করুন। ডায়েট কন্ট্রোল করতে পারলে আশা করি আপনার জন্য তা ভালোই হবে।  

আর  নিয়মিত ব্যায়াম/জিম করুন। নিয়মিত দৌড়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। 

3428 views

৬৩টি উপায় অনুসরণ করে ঝরিয়ে ফেলুন আপনার দেহের বাড়তি ওজন।
১. নিজের খাবার নিজেই বানান
আপনার রান্নার হাত ভালো নয়? তার পরেও নিজের হাতে স্বাস্থ্যকর খাবার রান্নার কয়েকটি রেসিপি শিখে নিন।
২. অনুশীলনের ডিভিডি সংগ্রহ করুন
শারীরিক অনুশীলনের নানা উপায় এখন ডিভিডিতেই পাওয়া যায়। এ ধরনের ডিভিডি সংগ্রহ করে তা দেখে দেখে অনুশীলন করলে যথেষ্ট উপকার পাবেন।
৩. সার্ভিস সাইজ শিখে নিন
খাবার গ্রহণ মানেই থালা ভর্তি করে খেতে হবে, এমন ধারণা বাদ দিন। ছোট পাত্রে করে সামান্য খাবার গ্রহণ করুন।
৪. আগের ও পরের ছবি তুলুন
আপনার ওজন বিষয়ে সচেতন হওয়ার আগের ও পরের ছবি তুলুন। উভয় ছবির তুলনা করুন।
৫. নাচ
নাচ ভালো একটি শারীরিক অনুশীলন। এর মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব।
৬. খাবারের ভালোমন্দ শিখে নিন
কোন খাবারটি আপনার শরীরের জন্য ভালো এবং কোন খাবারটি খারাপ তা শিখে নিন। এরপর সে অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন।
৭. অনুশীলনে বৈচিত্রতা আনুন
আপনার শারীরিক অনুশীলন যদি একঘেয়ে হয়ে যায় তাহলে তা কোনো কাজ করবে না। এ কারণে শারীরিক অনুশীলনে বৈচিত্রতা আনতে হবে।
৮. কল্পনা করুন
আপনার শারীরকে যেমন বানাতে চান, সে অবস্থার কথা কল্পনা করুন। এতে আপনার আগ্রহ তৈরি হবে।

৯. আঁশজাতীয় খাবার খান

আঁশজাতীয় খাবার পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখাসহ নানা উপকার করে। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এ ধরনের খাবার বেশি করে খেলে তা ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।
১০. হাঁটুন বা সাইকেল চালান
যান্ত্রিক শক্তিচালিত যানবাহনের বদলে হাঁটা বা সাইকেল চালানো অভ্যাস করুন।
১১. বাস্তববাদী হোন
ওজন কমানোর বিষয়ে বাস্তববাদী হতে হবে। মাত্র কয়েকদিন অনুশীলন করেই আপনি শরীর অর্ধেক কমিয়ে ফেলতে পারবেন না। এক্ষেত্রে মাসে প্রায় ১০ পাউন্ড ওজন কমানো সম্ভব।
১২. প্রোটিন বাদ দেবেন না
ডিম, মাংস, মাছ ইত্যাদি প্রোটিনের অন্যতম উৎস। ওজন কমানোর সময়েও এসব খাবার শরীরের প্রয়োজন। তবে আপনি যদি নিরামিশাষী হন তাহলে পুষ্টিবিদের সাহায্য নিয়ে অনুরূপ পুষ্টিকর খাবার বাছাই করতে পারেন।
১৩. অনুশীলনের সময় শ্বাস নিতে ভুলবেন না
শারীরিক অনুশীলন করার সময় শ্বাস প্রশ্বাস কমাবেন না। বেশি করে অক্সিজেন গ্রহণ করুন।
১৪. পাউরুটি বাদ
আপনার খাদ্যতালিকা থেকে পাউরুটি বাদ দিন।
১৫. নিয়মিত মাপ নিন

অনুশীলনের ফলে আপনার শরীরের যে পরিবর্তন হচ্ছে, সে বিষয়ে নিয়মিত দৃষ্টি রাখুন। এজন্য হাতের কাছে এটি টেপ রাখুন।
১৬. কাজের পর বিশ্রাম নিন
কাজের পর আপনার মাংসপেশিগুলোর বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বরাদ্দ করুন।
১৭. সালাদ ড্রেসিং বাদ দিন
সালাদ খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার। কিন্তু এতে ড্রেসিং ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
১৮. প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার নয়
শিল্পকারখানায় প্রক্রিয়াজাতকৃত খাবার বাদ দিন। তার বদলে স্বাস্থ্যকর তাজা ফলমূল ও খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
১৯. ক্র্যাশ ডায়েট নয়
ওজন কমানোর জন্য তাড়াহুড়া করে ক্র্যাশ ডায়েট বাদ দিন। এতে আপনার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
২০. আবেগগত খাবার বাদ দিন
শারীরিক প্রয়োজনে ক্ষুধা নিবৃত্ত করতে খাবার খান। তার বদলে মানসিক সন্তুষ্টির জন্য, লোভের বশে কিংবা খাবারের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বাড়তি খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।

২১. দৈনিক পাঁচবার খাবার খান

দৈনিক পাঁচবার খাবার খাওয়া হলে আপনার পরবর্তী খাবার খাওয়ার জন্য ক্ষুধা কমে যাবে।
২২. অন্যমনস্কভাবে খাবেন না
খাবার খাওয়ার সময় বিভিন্ন বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতা ত্যাগ করুন।
২৩. সকালের নাস্তা বাদ দেবেন না
সকালে নাস্তার বহু ইতিবাচক উপকারিতা রয়েছে। ওজন কমাতেও এটি কার্যকর।
২৪. খাওয়ার আগে টিভি বন্ধ করুন
খাবারের দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য টিভি বন্ধ করে তারপর খেতে বসুন।
২৫. সঙ্গে রাখুন স্বাস্থ্যকর খাবার
রাস্তাঘাটে জাংক খাবার খাবেন না। প্রয়োজনে সঙ্গে রাখুন একবাটি সালাদ, বাদাম কিংবা ফলমূল।
২৬. অল্প মানুষের সঙ্গে খান
বেশি মানুষের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করলে তা আপনার খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
২৭. নাস্তার তালিকা করুন
বারবার নাস্তার মতো খাবার দ্রুত ওজন বাড়িয়ে দেয়। তাই এসব খাওয়ার সময়ও নির্ধারণ করে নিন। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ইত্যাদি সব মিলিয়ে যেন পাঁচবারের বেশি না খাওয়া হয়।
২৮. খাবারের নোট রাখুন
দৈনন্দিন কী কী খাবার খাচ্ছেন, তা একটি নোটবুকে টুকে রাখুন। এতে কতোখানি খাবার খেলে ওজন কেমন হয় তা বোঝা সহজ হবে।
২৯. জাংক ফুড বাদ দিন
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাবার কেনা ও বাড়িতে নিয়ে আসা বাদ দিন।
৩০. তালিকা করুন
যেসব কারণে আপনি ওজন কমাতে আগ্রহী, তার একটি তালিকা করুন। নিয়মিত এ তালিকায় চোখ রাখুন।
৩১. খাওয়ার পর মিষ্টিমুখ
উপযুক্ত খাবার খাওয়ার পর কিছুটা মিষ্টি খাওয়া যেতে পারে। খালিপেটে মিষ্টি খাওয়া বাদ দিন।
৩২. বিরতি নিন
ওজন কমানোর জন্য চেষ্টা করার পাশাপাশি এতে অল্প সময়ের জন্য বিরতিও নেওয়া যেতে পারে।
৩৩. শেয়ার করুন
আপনার বন্ধুদের সঙ্গে খাবার শেয়ার করুন। এতে ক্যালরির পরিমাণ যেমন কমবে তেমন বন্ধুত্বও বাড়বে।
৩৪. ছুটির দিনের হিসাব করুন
অনেকেই সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে শারীরিক অনুশীলনের কথা ভুলে যান। এ অভ্যাস ত্যাগ করে ছুটির দিনগুলো কাজে লাগান।
৩৫. ধীরে ধীরে খান
খাবার ধীরে ধীরে খাওয়া হলে তা সঠিক পরিমাণে খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। তাই খাবার গতি কমাতে হবে।
৩৬. ব্যস্ত থাকুন
আপনার হাতে অনেক সময় থাকলেও সময়টি কোনো কাজে ব্যয় করুন। অলস সময় আপনার খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেবে।
৩৭. নিজেকে পুরস্কার দিন
ওজন কমানোর নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের সঙ্গে সঙ্গে আপনার দেহকে পুরস্কার দিন। হতে পারে এটি কোনো একটি মজার খাবার বা পানীয়।
৩৮. শরীরের কথা শুনুন
আপনার কতোখানি খাবার খাওয়া প্রয়োজন তা শরীরই বলে দেবে। শরীরের সে কথা শুনুন।
৩৯. অস্বাস্থ্যকর খাবার বদলান
আপনার খাদ্যতালিকায় থাকা অস্বাস্থ্যকর খাবার বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
৪০. মানসিক চাপ কমান
মানসিক চাপ ওজন বাড়ানোর জন্য অনেকাংশে দায়ী। মানসিক চাপ কমানো তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৪১. সোডা বাদ দিন
সোডার মতো কোমল পানীয় পান করা পুরোপুরি বাদ দিন। তার বদলে পান করতে পারেন স্বাস্থ্যকর টাটকা ফলের রস।

৪২. ফিটনেস ম্যাগাজিন ও বই পড়ুন
ওজন কমানোর জন্য নানা পরামর্শ পাবেন ফিটনেস ম্যাগাজিন বা এ বিষয়ে বইতে। এসব বই থেকে আপনার জন্য মানানসই উপায় খুঁজে নিন।
৪৩. পর্যাপ্ত ঘুম
ওজন কমানোর জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমান।
৪৪. পর্যাপ্ত পানি খান
আমাদের মস্তিষ্ক ক্ষুধা ও তৃষ্ণার অনুভূতি অনেকাংশে এক করে ফেলে। এ কারণে পর্যাপ্ত পানি খেলে তা ক্ষুধাও কমাতে পারে।
৪৫. অনুপ্রাণিত হোন
ওজন কমানোর জন্য নিজেই নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করুন।
৪৬. খাবার আগে এক গ্লাস পানি
খাবার ১৫-২০ মিনিট আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। এতে আপনার ক্ষুধা কমানোসহ পাকস্থলিতে হজমের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হবে।
৪৭. ভালোবাসুন
কাউকে ভালোবাসলে তা ওজন কমানোয় সহায়ক হয় বলে গবেষণায় জানা গেছে। তাই বেশি করে ভালোবাসুন।
৪৮. কালো কফি পান করুন
চিনি ও দুধ মুক্ত কফি পান করুন। এটি ওজন কমাতে সহায়ক হবে।
৪৯. গাড়ি দূরে রাখুন
ব্যক্তিগত গাড়িতে করে চলাচল করলে গাড়িটি দূরবর্তী স্থানে পার্ক করুন। এতে গাড়ি থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য হাঁটার প্রয়োজন হবে।
৫০. চুম্বন
প্রতি মিনিটের চুম্বন পাঁচ থেকে ছয় ক্যালরি করে ক্ষয় করে। তাই ওজন কমানোর একটি উপায় হতে পারে এটি।
৫১. সিঁড়ি ব্যবহার করুন
সুযোগ পেলেই লিফট বর্জন করে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। এতে যথেষ্ট উপকার হবে।

৫২. হাল ছাড়বেন না

ওজন কমানোর কাজটি হঠাৎ করেই হয় না। এজন্য ধৈর্য্য ধরে অনুশীলন চালিয়ে যেতে হয়। আর হঠাৎ করে এ বিষয় শুরু কিংবা শেষ করলে তা নানা শারীরিক সমস্যা বা অসুস্থতা তৈরি করে।
৫৩. সমমনা বের করুন
একা যদি ওজন কমানোর কার্যক্রম চালাতে সমস্যা হয় তাহলে কোনো বন্ধুর সঙ্গে একত্রিত হোন। দুজনে একসঙ্গে কাজটি করুন।
৫৪. তারকার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিন
অনেক তারকাই ওজন নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছেন। আপনার প্রিয় কোনো তারকার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিন।
৫৫. নেতিবাচকতা বাদ দিন
জীবনের সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচকতা ক্ষতিকর। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে নেতিবাচক চিন্তাধারা আপনাকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই নেতিবাচকতা বাদ দেওয়ার বিকল্প নেই।
৫৬. ট্রেইনারের সহায়তা নিন
নিজে নিজে যদি ওজন কমানোর পন্থা নির্ধারণ করতে না পারেন তাহলে পেশাজীবীদের সহায়তা নিন। তারা এ বিষয়ে দক্ষ।
৫৭. ইতিবাচকদের সঙ্গে থাকুন
ইতিবাচক মানুষদের সঙ্গে থাকলে তা আপনার মানসিক উদ্যম অনেকাংশে বাড়িয়ে দেবে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণও অনেক সহজ হবে।
৫৮. পছন্দমতো স্লিম পোশাক কিনুন
আপনার ওজন কম হলে যেমন পোশাক প্রয়োজন হবে, তেমন পোশাক কিনুন। এতে আপনার সেই পোশাক পরার জন্য হলেও ওজন কমানোর আগ্রহ দেখা দেবে।
৫৯. সঙ্গী নিন
ওজন কমানোর প্রোগ্রাম একা একা চালানো অনেক সময় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু কোনো সঙ্গী থাকলে তা অনেক সহজ হয়ে যায়।
৬০. খেলাধূলার পোশাক কিনুন
খেলাধূলার উপযোগী পোশাক কিনুন। সেসব পোশাক পরে শারীরিক অনুশীলন অনেক আরাম ও আনন্দদায়ক হবে।
৬১. প্রতিদিন কিছু না কিছু অনুশীলন করুন
আপনার প্রতিদিনের কার্যক্রমের সঙ্গে কিছু না কিছু অনুশীলন করুন। এতে শরীর যেমন ফিট থাকবে তেমন ওজন কমানোও সহজ হবে।
৬২. ওজন মাপা যন্ত্র এড়িয়ে যান
ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ওজন মাপা যন্ত্র দিয়ে শরীরের ওজন মাপার প্রয়োজনীতা থাকবেই। কিন্তু এ যন্ত্রটির অতিরিক্ত ব্যবহার না করে শরীরের আকার পরিবর্তন নির্ণয়ের জন্য টেপ ব্যবহার করুন।
৬৩. নাস্তার আগে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম
সকালে নাস্তার আগে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম দেহের ওজন কমানোর জন্যও কার্যকর। খেয়াল রাখবেন, এ ব্যায়ামে যেন আপনার হৃৎস্পন্দন মিনিটে ১২০ থেকে ১৩০-এ উঠে যায়।


আর অবশ্যই নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে আদায়ে মনযোগী হোন।

(সংগৃহীত)

3428 views

ওজন কমানো সবসময় পরিশ্রমসাধ্য মনে করা হলেও, গবেষণায় জানা গেছে জিম বা ডায়েটিংয়ের চেয়েও বেশি ক্যালোরি পোড়ানো সম্ভব রাতে ঘুমানোর সময়।

স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়া’র একদল গবেষকের অনুসন্ধান অবলম্বনে জানানো হয়, আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়ার অস্বাস্থ্যকর পরিবর্তন ওজন বাড়ানোর কারণ হতে পারে।

একই রকম আরেকটি গবেষণায় জানা গেছে, ঘুমের ঘাটতিও ওজন বৃদ্ধিকে প্রায় শতকরা ৫৫ ভাগ পর্যন্ত দ্রুত করতে পারে।

ভারতীয় খাদ্যবিশারদ নেহা ছন্দা জানান, আন্ত্রিক ব্যাকটেরিয়ার সামান্য পরিবর্তন ইনসুলিন প্রতিরোধী ক্ষমতার ওপর প্রভাব বিস্তার করে, রুচি কমানোর হরমোন বাড়াতে পারে, এমনকি বিপাকের ধরণ বদলে দিতে পারে।

মুম্বাইভিত্তিক এই পুষ্টিবিদ বলেন, “ঘুমানোর সময় আমাদের দেহ নিজেকে সারিয়ে তোলে ও পুনর্গঠিত করে। ঠিক এই সময়ে এসকল ব্যাকটেরিয়া সবচেয়ে ভালো কাজ করে।

প্রতিবেদনে ঘুমের সময় ওজন হ্রাসের কিছু উপায় উল্লেখ করা হয়।

রাতের খাবার আগে খাওয়া: বেশি রাত করে রাতের খাবার খাবেন না। রাতের খাবার আর ঘুমানোর সময়ের মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান থাকতে হবে।

মাংস খাওয়া: বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ মাংসে থাকে ট্রাইপ্টোফ্যান নামক অ্যামিনো এসিড, যার আছে ঘুম উদ্রেক করার ক্ষমতা। এমনকি মাত্র কয়েক আউন্স মাংসও গভীর ঘুমের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। তাই ঘুমের আগে মাংস না খাওয়াই ভালো।

মরিচ খাওয়া: গবেষণায় দেখা গেছে, মেদ পোড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে, মরিচ খাওয়া। নিয়মিত খাবারে মরিচ অন্তর্ভূক্ত করলে ঘুমের মধ্যেও মেদ পোড়ানোর কাজ দ্রুত করা সম্ভব।

ঘুমের আগে প্রোটিন: ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রোটিনজাতীয় খাবার খাওয়া বিপাকীয় কাজ দ্রুত করে। গবেষকরা দেখেছেন, সন্ধ্যার নাস্তায় যে ব্যক্তি মাত্র ৩০ গ্রাম আমিষ গ্রহণ করেছেন, পরদিন সকালে আবার নাস্তা খাওয়ার আগ পর্যন্ত তার বিপাকের হার ছিল অনেক উঁচুতে।

শর্করা বা চর্বির চেয়ে আমিষ অধিক তাপ উৎপাদন করে, অর্থাৎ আমিষ হজম করার সময় দেহ অধিক ক্যালোরি পোড়ায়।

মিন্ট হতে পরে উদ্ধারকারী: ধারণা করা হয় মিন্ট বা পুদিনা পাতা ওজন কমাতে পারে। তাই প্রতিঘণ্টায় পুদিনাপাতা গন্ধ নেওয়া যেতে পারে। আবার চাইলে ঘুমের আগে বালিশের উপর কাপড় দিয়ে কয়েক ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল মাখিয়ে রেখেও এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

এসি ছেড়ে দিন: অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা আবহাওয়া সূক্ষ্মভাবে কিছু বিশেষ কোষের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। এসব কোষ ধূসর চর্বি (ব্রাউন ফ্যাট) জমা করে। এই চর্বি পেটের মধ্যে জমে থাকা মেদ পুড়িয়ে শরীর গরম রাখে। তাই এসি ছেড়ে ঘরের তাপমাত্রা কমিয়ে ঘুমাতে যেতে পারেন।

এ ছাড়াও নিয়মিত গাজর ও শশা খাওয়া

ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ।

3428 views

ভাই আপনি নিচের রুটিনগুলা কিছুদিন পালন করেন আর বেশি বেশি খেতে থাকেন, এক মাসের মধ্যে সস্থ্য ভালো হবে দেখবেন : প্রধানত তিনটি কারণে দেহের ওজন কম হতে পারে: *chronic disease *eating disorders *lack of physical activity. রোগের কারণে যদি দেহের ওজন কম হয় তবে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত শারীরিক শ্রমের অভাবে দেহের ওজন বাড়াতে সফল হতে পারেন না। ওজন বাড়াতে তাই কিছু কৌশল মনে রাখতে হবে আমাদের: * ক্ষুধা লাগলেই খাবার খান: সহজে বহন করা যায় এমন খাবার সাথে রাখুন বাড়ির বাইরে থাকলে। সারা দিনের জন্য যখন কর্মপরিকল্পনা করবেন তখন কি ধরনের স্ন্যাক্স আপনি সাথে নিবেন তাও ঠিক করে রাখুন। কখনই এমন অবস্থা যেন না হয় যে, আপনি ক্ষুধার্ত কিন্তু আপনার সাথে খাবার নেই।Quick snacks হিসেবে সাথে রাখতে পারেন যেকান মৌসুমি ফল / juice /প্যাকেটজাত পনির ও ক্রাকার/ যেকোন ধরনের বাদাম ইত্যাদি। ৩-৪ ঘন্টা পর পর আপনাকে খাবার খেতে হবে, যদি ক্ষুধা নাও লাগে তবুও অল্প কিছু খেতে চেষ্টা করুন। *ক্যালরি পান করুন : high-calorie drinks পান করুন।Fruit juice, smoothies, milkshakes ও এমন products বেছে নিন যেগুলোতে ক্যালরি বেশি পরিমানে আছে।আপনার প্রধান খাবারের সাথে juice বা low-fat milk পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে smoothie বা milkshake পান করুন। * সকালের নাস্তা কখনই বাদ দিবেন না: সারা দিনের খাবারে মধ্যে সকালের নাস্তা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ, তা ওজন কমানো বা বাড়ানো যাই হোক না কেন! যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ ক্যালরি গ্রহনের। যদি সকালের নাস্তা বাদ দেন তবে প্রায় ৪০০ ক্যালরি গ্রহন থেকে বঞ্চিত হতে হয়!যদি প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৪০০-৫০০ ক্যালরি গ্রহন করা যায় তবে মাস শেষে প্রায় ৩ পাউন্ড ওজন বাড়াতে সক্ষম হবেন। *ছুটির দিনে খাবার : ছুটির দিনে আপনার খাবার সময়সুচি যেন ওলট পালট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দুপুর পর্যন্ত ঘুমালে অনেক খানি ক্যালরি মিস হয়ে যায়। যদি late morning বা early afternoon পর্যন্ত ঘুমানো একান্ত দরকার হয় তবে খাবার সময়গুলোতে এর্লাম দিয়ে রাখুন।

3428 views

Related Questions