5 Answers

নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামজ পরে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন, আর অযু করে শুয়ে দোয়া পরে ঘুমাবেন, আর আয়তুল কুরসি, সুরা ইয়াসিন, পাঠ করবেন, ইনশাল্লাহ কোন খারাপ শক্তি আপনার কোন প্রকার ক্ষতি করতে পারবে না আল্লহার রহমতে ।।

3113 views Answered

আপনি আয়াতুল কুরসি আয়াতটি পাঠ করতে পারেন।

নিচের ফটোতে বিস্তারিত সহ দেখুন।

image

3113 views Answered

৪ কুল, যথা, সূরা কাফিরূন, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব ও সূরা নাস পড়বেন নিয়মিত । সূরাতুন নাস টি একটু বেশী পড়বেন । ঘরে নিয়মিত সূরা বাক্বারাহ পড়ার অভ্যাস করুন । আর ৫ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি পড়বেন ।

3113 views Answered

রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি সকাল বিকালে আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে শয়তান থেকে সারাদিন সে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি সকাল ও বিকালে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস তিনবার করে বলবে, এটাই তার সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, পেশাব পায়খানার স্থানে জিন শয়তান থাকে। অতএব তোমাদের কেহ যখন এখানে আসে সে যেন বলে আল্লহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিনাল খুবসি ওয়াল খবা-ইস। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অপবিত্র পুরুষ জিন ও নারী জিন থেকে আশ্রয় চাই। এছাড়াও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) গর্তে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন কারণ গর্ত হল জিনদের থাকার জায়গা। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ ঘরে প্রবেশ করে, আর প্রবেশের সময় ও খাবারের সময় আল্লাহকে স্মরণ করে, তখন শয়তান বলে, তোমাদের কোনো বাসস্থান নেই, তোমাদের রাতের কোনো খাবার নেই। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়বে শয়তান সারা রাত তার নিকটে যাবে না। রাসুল (সাঃ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ হাই তোলে তখন সে যেন তার মুখে হাত দিয়ে বাধা দেয়। কারণ হাই তোলার সময় শয়তান প্রবেশ করে।

3113 views Answered

জ্বীনের অত্যাচার থেকে বাঁচার দু‘আ : ﺍَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻜَﻠِﻤٰﺖِ ﺍﻟﻠﻪِ ﺍﻟﺘَّﺎٓﻣَّﺔِ ﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﺷَﻴْﻄَﺎﻥٍ ﻭَّﻫَﺎٓﻣَّﺔٍ ﻭَّﻣِﻦْ ﻛُﻞِّ ﻋَﻴْﻦٍ ﻟَّﺎٓﻣَّﺔٍ . অর্থ : সকল শয়তান, কীটপতঙ্গ ও কুদৃষ্টি হতে আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালিমাসমূহের মাধ্যমে আশ্রয় কামনা করছি। (সহীহ বুখারী; হাদীস ৩৩৭১)। ৩। ইয়া বাররু অর্থ হে পরম দানশীল !

3113 views Answered

Related Questions

Next steps