user-avatar

Sabirul Islam

SabirulIslam

SabirulIslam এর সম্পর্কে
আমি একজন অতি সাধারন মানুষ, নিজের সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছু নেই, তবুও যেটুকু না বললেই নয়। আমার প্রকৃত নামঃ সাবিরুল ইসলাম, কিন্তু সবাই ডাকে সাবির নামে। আমার ভাল কাজ করার ইচ্ছা সব সময় থাকে কিন্ত ইচ্ছাগুলো বাস্তবে রুপান্তরিত হয়না, তবুও অভূতপূর্ব সংগ্রামের সাফল্যে সর্বদা অগ্রগামী। অবসর সময়ে সময় নষ্ট না করে আগ্রহ অনুযায়ী নিজের মনের মত আকর্ষণীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার মাধ্যমে নিজেকে অতিবাহিত করি। নিরব থাকতে বেশি পছন্দ করি। এছাড়া সৃষ্ট জগতের সবকিছু নিয়ে একটু বেশিই ভাবি।
যোগ্যতা ও হাইলাইট
Bissoy AnswersModerator 2016–বর্তমান
BD College Bogra এ/তে - নিয়ে পড়াশুনা করছেন 2013-2015
পুরুষ
অবিবাহিত
ইসলাম
প্রশ্ন-উত্তর সমূহ 5.15M বার দেখা হয়েছে
জিজ্ঞাসা করেছেন 369 টি প্রশ্ন দেখা হয়েছে 370.53k বার
দিয়েছেন 4.41k টি উত্তর দেখা হয়েছে 4.78M বার
4 টি ব্লগ
75 টি মন্তব্য

Nongovernmental Organizations, যা সাধারণতঃ এনজিও-NGO হিসাবে পরিচিত।

এনজিও হলো এমন আন্তর্জাতিক সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান যারা সাধারণত অলাভজনক ও স্বাধীনভাবে সরকার কর্তৃক সরাসরিভাবে সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণের বাহিরে মানবতার, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, জনসাধারণের নীতি, সামাজিক, মানবাধিকার, পরিবেশগত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে তাদের লক্ষ্য অনুযায়ী পরিবর্তনে নিয়োজিত।

সবাই সব স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতে পারে না। স্বপ্নের ব্যাখ্যা করা সবার কাজ নয়। তাই সবার কাছে স্বপ্নের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া ঠিক নয়।

আপনার আম্মু যে স্বপ্নে দেখেন যে "কিছু লোকজন একটি কবরের চারিপাশে কোরআন তেলাওয়াত করতেছে" এটা একটি ভাল এই স্বপ্ন দেখে চিন্তিত হওয়ার দরকার নেই।

আর ইসলামে নিষেধ রয়েছে যে, স্বপ্ন দ্রষ্ঠা ব্যক্তি যেন জ্ঞানী ব্যক্তি অথবা পছন্দনীয় ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কারো নিকট স্বপ্নের ব্যাপারে আলোচনা না করে।


মোহরানা নির্ধারন হওয়ার পর স্ত্রী যদি তা মাফ করে দেওয়া বা কম করে দেওয়া বা বাকি রেখে অন্য সময়ে দেওয়া এরুপ যে কোনো বিষয়ের উপর স্বামীর সাথে একমত হয়, তাহলে কোনো সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে আপনি যদি বাকি স্বর্ণ গুলো তাকে আস্তে আস্তে দিয়ে দেন তাহলে দেনমোহর পরিশোধ হবে।

পবিত্র কুরআন মাজিদে এসেছে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর। [সূরা নিসাঃ-৪]

আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা গ্রহণ করবে, তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ। [সূরা নিসাঃ-২৪]

নির্ধারিত মোহরানার দুটি অংশ থাকে। একটি অংশ হলো তাৎক্ষণিক দেনমোহর, মোহরে মু’আজ্জাল বা নগদে প্রদেয় এবং আরেকটি অংশ হলো বিলম্বিত দেনমোহর, মোহরে মু’য়াজ্জাল বা বাঁকিতে প্রদেয়।

সুতরাং স্ত্রীর সম্মতিতে মোহরানা বাকি রাখা জায়েজ আছে।

আবার আপনি মাঝে মাঝে তার বিকাশ টাকা দেন মোহর বাবদ। টাকা জমা করে তাকে স্বর্ণ কিনে দেবেন এই নিয়তে। স্ত্রী যদি এই বিষয়ের উপর স্বামীর সাথে একমত হয় তাতেও কোন সমস্যা নেই।

মনে রাখতে হবে এটা স্ত্রীর প্রতি স্বামীর করুণা নয়, যা স্ত্রীর অধিকার। দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণ এবং অবশ্যই পরিশোধযোগ্য।

আবার অনেক স্বামী মনে করেন, স্ত্রীর ভরণ-পোষণসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করলে আর দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে না। কিন্তু দেনমোহর ও ভরণপোষণ দুটি পৃথক অধিকার।

বিবাহিতা নারী স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী। অনেক স্বামী স্ত্রীকে দামী কিছু উপহার দিলে মনে করেন যে, দেনমোহর পরিশোধ হয়ে গেছে। এটিও ভ্রান্ত ধারণা। স্বামী যদি দেনমোহর হিসেবে স্ত্রীকে কোন কিছু হস্তান্তর করে তবেই সেটি দেনমোহর হিসেবে বিবেচিত হবে।


প্রত্যেক মানুষই মরনশীল। আল্লাহ তাআলার ঘোষণা, প্রতিটি জীবনকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। হাশরের ময়দানে একত্রিত করা ও বিচার শুরু হওয়ার আগে কবরেই মানুষের সংক্ষিপ্ত হিসাব তথা পরীক্ষা শুরু হবে।

সংক্ষিপ্ত বিচারের ফলাফলে যারা উর্তীণ হবে তাদের কবরের সঙ্গে জান্নাতের যোগাযোগ স্থাপন করে দেয়া হবে। জান্নাতের হাওয়া এবং সুঘ্রাণ তাদের কবরে আসতে থাকবে।

আর কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে প্রত্যেক বনি আদমকেই আল্লাহ তাআলার দরবারে তার কর্মের হিসাব দিতে হবে।

প্রতিটি মানুষের ইহকালীন জীবন শেষ হওয়ার পর যে জীবন শুরু হয়, তাকে আলমে বারযাখ বা কবরের জীবন বলা হয়। কবরের জীবন কারও জন্য অনেক সুখের আবার কারও জন্য অনেক দুঃখের। তবে তা নির্ভর করে প্রতিটি মানুষের দুনিয়ার আমলের ওপর। যাদের দুনিয়ার আমল ভালো হয়, তাদের কবরের জীবন সুখের হয়। আর যাদের দুনিয়ার আমল ভালো নয়, তাদের কবরের জীবন দুঃখের হয়।

বারা ইবনু আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, “নিশ্চয় মুমিন বান্দা যখন দুনিয়া প্রস্থান ও আখেরাতে পা রাখার সন্ধিক্ষণে উপস্থিত হয় তার নিকট আসমান থেকে সাদা চেহারার ফেরেশতাগণ অবতরণ করেন, যেন তাদের চেহারা সূর্য। তাদের সাথে জান্নাতের কাফন ও জান্নাতের সুগন্ধি থাকে, অবশেষে তারা তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত বসে যায়। অতঃপর মালাকুল মউত আলাইহিস সালাম এসে তার মাথার নিকট বসেন, তিনি বলেন: হে পবিত্র রুহ তুমি আল্লাহর মাগফেরাত ও সন্তুষ্টির প্রতি বের হও”।

তিনি বললেন: “ফলে রুহ বের হয় যেমন কলসি থেকে পানি গড়িয়ে পড়ে। তিনি তা গ্রহণ করেন, যখন গ্রহণ করেন চোখের পলক পরিমাণ তিনি নিজ হাতে না রেখে তৎক্ষণাৎ তা সঙ্গে নিয়ে আসা কাফন ও সুগন্ধির মধ্যে রাখেন, তার থেকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ ঘ্রাণ বের হয় যা দুনিয়াতে পাওয়া যায়”।

তিনি বললেন: “অতঃপর তাকে নিয়ে তারা ওপরে ওঠে, তারা যখনই অতিক্রম করে তাকে সহ ফেরেশতাদের কোন দলের কাছ দিয়ে তখনই তারা বলে, এ পবিত্র রুহ কে?

তারা বলে: অমুকের সন্তান অমুক, সবচেয়ে সুন্দর নামে ডাকে যে নামে দুনিয়াতে তাকে ডাকা হত, তাকে নিয়ে তারা দুনিয়ার আসমানে পৌঁছে, তার জন্য তারা আসমানের দরজা খোলার অনুরোধ করেন, তাদের জন্য দরজা খুলে দেয়া হয়, তাকে প্রত্যেক আসমানের নিকটবর্তীরা পরবর্তী আসমানে অভ্যর্থনা জানিয়ে পৌঁছে দেয়, এভাবে তাকে সপ্তম আসমানে নিয়ে যাওয়া হয়, অতঃপর আল্লাহ বলেন: আমার বান্দার দফতর ইল্লিয়্যিনে লিখ এবং তাকে জমিনে ফিরিয়ে দাও, কারণ আমি তা 'মাটি' থেকে তাদেরকে সৃষ্টি করেছি, সেখানে তাদেরকে ফেরৎ দেব এবং সেখান থেকেই তাদেরকে পুনরায় উঠাব”।

তিনি বলেন: “অতঃপর তার রুহ তার শরীরে ফিরিয়ে দেয়া হয়, এরপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা আসবে, তারা তাকে বসাবে অতঃপর বলবে: তোমার রব কে?

সে বলবে: আল্লাহ। অতঃপর তারা বলবে: তোমার দ্বীন কি? সে বলবে: আমার দ্বীন ইসলাম। অতঃপর বলবে: এ ব্যক্তি কে যাকে তোমাদের মাঝে প্রেরণ করা হয়েছিল? সে বলবে: তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

অতঃপর তারা বলবে: কিভাবে জানলে? সে বলবে: আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি, তাতে ঈমান এনেছি ও তা সত্য জ্ঞান করেছি।

অতঃপর এক ঘোষণাকারী আসমানে ঘোষণা দিবে: আমার বান্দা সত্য বলেছে, অতএব তার জন্য জান্নাতের বিছানা বিছিয়ে দাও, তাকে জান্নাতের পোশাক পরিধান করাও এবং তার জন্য জান্নাতের দিকে একটি দরজা খুলে দাও।

তিনি বলেন: ফলে তার কাছে জান্নাতের সুঘ্রাণ ও সুগন্ধি আসবে, তার জন্য তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত তার কবর প্রশস্ত করে দেয়া হবে।

তিনি বলেন: তার নিকট সুদর্শন চেহারা, সুন্দর পোশাক ও সুঘ্রাণসহ এক ব্যক্তি আসবে, অতঃপর বলবে: সুসংবাদ গ্রহণ কর যা তোমাকে সন্তুষ্ট করবে তার, এটা তোমার সেদিন যার ওয়াদা করা হত। সে তাকে বলবে: তুমি কে, তোমার এমন চেহারা যে শুধু কল্যাণই নিয়ে আসে?

সে বলবে: আমি তোমার নেক আমল। সে বলবে: হে আমার রব, কিয়ামত কায়েম করুন, যেন আমি আমার পরিবার ও সম্পদের কাছে ফিরে যেতে পারি”।

তিনি বলেন: “আর কাফের বান্দা যখন দুনিয়া থেকে প্রস্থান ও আখেরাতে যাত্রার সন্ধিক্ষণে উপনীত হয়, তার নিকট আসমান থেকে কালো চেহারার ফেরেশতারা অবতরণ করে, তাদের সাথে থাকে ‘মুসুহ’ মোটা-পুরু কাপড়, অতঃপর তারা তার নিকট বসে তার দৃষ্টির সীমা পর্যন্ত, অতঃপর মালাকুল মউত আসেন ও তার মাথার কাছে বসেন।

অতঃপর বলেন: হে খবিস নফস, আল্লাহর গোস্বা ও গজবের জন্য বের হও। তিনি বলেন: ফলে সে তার শরীরে ছড়িয়ে যায়, অতঃপর সে তাকে টেনে বের করে যেমন ভেজা উল থেকে 'লোহার' সিক বের করা হয়,

অতঃপর সে তা গ্রহণ করে, আর যখন সে তা গ্রহণ করে চোখের পলকের মুহূর্ত হাতে না রেখে ফেরেশতারা তা ঐ ‘মোটা-পুরু কাপড়ে রাখে, তার থেকে মৃত দেহের যত কঠিন দুর্গন্ধ দুনিয়াতে হতে পারে সে রকমের দুর্গন্ধ বের হয়।

অতঃপর তাকে নিয়ে তারা ওপরে উঠে, তাকেসহ তারা যখনই ফেরেশতাদের কোন দলের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে তখনই তারা বলে, এ খবিস রুহ কে?

তারা বলে: অমুকের সন্তান অমুক, সবচেয়ে নিকৃষ্ট নাম ধরে যার মাধ্যমে তাকে দুনিয়াতে ডাকা হত, এভাবে তাকে নিয়ে দুনিয়ার আসমানে যাওয়া হয়, তার জন্য দরজা খুলতে বলা হয়, কিন্তু তার জন্য দরজা খোলা হবে না”।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করেন:

“তাদের জন্য আসমানের দরজাসমূহ খোলা হবে না ‎এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যতক্ষণ না ‎উট সূঁচের ছিদ্রতে প্রবেশ করে”।‎

অতঃপর আল্লাহ তা‘আলা বলবেন: তার আমলনামা জমিনে সর্বনিম্নে সিজ্জিনে লিখ, অতঃপর তার রুহ সজোরে নিক্ষেপ করা হয়। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করেন:

“আর যে আল্লাহর সাথে শরীক করে, সে যেন ‎আকাশ থেকে পড়ল। অতঃপর পাখি তাকে ছোঁ ‎‎মেরে নিয়ে গেল কিম্বা বাতাস তাকে দূরের কোন ‎জায়গায় নিক্ষেপ করল”।

তার রুহ তার শরীরে ফিরিয়ে দেয়া হয়, অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা আসে ও তাকে বসায়, তারা তাকে জিজ্ঞাসা করে: তোমার রব কে?

সে বলে: হা হা আমি জানি না। অতঃপর তারা বলে: তোমার দ্বীন কি? সে বলে: হা হা আমি জানি না। অতঃপর তারা বলে: এ ব্যক্তি কে যাকে তোমাদের মাঝে প্রেরণ করা হয়েছিল?

সে বলে: হা হা আমি জানি না, অতঃপর আসমান থেকে এক ঘোষণাকারী ঘোষণা করবে যে, সে মিথ্যা বলেছে, তার জন্য জাহান্নামের বিছানা বিছিয়ে দাও, তার দরজা জাহান্নামের দিকে খুলে দাও, ফলে তার নিকট তার তাপ ও বিষ আসবে এবং তার ওপর তার কবর সংকীর্ণ করা হবে যে, তার পাঁজরের হাড় একটির মধ্যে অপরটি ঢুকে যাবে।

অতঃপর তার নিকট বীভৎস চেহারা, খারাপ পোশাক ও দুর্গন্ধসহ এক ব্যক্তি আসবে, সে তাকে বলবে: তুমি সুসংবাদ গ্রহণ কর, যা তোমাকে দুঃখ দিবে, এ হচ্ছে তোমার সে দিন যার ওয়াদা করা হত। সে বলবে: তুমি কে, তোমার এমন চেহারা যে কেবল অনিষ্টই নিয়ে আসে?

সে বলবে: আমি তোমার খবিস আমল। সে বলবে: হে রব কিয়ামত কায়েম কর না”।

(সহিহ হাদিসে কুদসি, অধ্যায়ঃ ১/ বিবিধ, হাদিস নম্বরঃ ৬৬ হাদিসের মানঃ সহিহ)।


আল্লাহর প্রিয় কালাম, বাক্য, শব্দ, দোয়া হচ্ছে, সুবহানাল্লাহি অবিহামদিহি।

আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় কালাম বাতলে দেব না?

আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা প্রিয় কালামটি আপনি আমাকে বাতলে দিন।

তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় কালাম হল,

سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ

অর্থঃ "আমি আল্লাহর সপ্রশংস পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি।"

(সহীহ মুসলিম (ইফাঃ), অধ্যায়ঃ ৫০/ যিকর, দোয়া, তাওবা ও ইসতিগফার, হাদিস নম্বরঃ ৬৬৭৭, হাদিসের মানঃ সহিহ)।


এমন কোন সূরা নেই যা পড়লেই দোয়া কবুল হয়। তবে ইসমে আজমের মাধ্যমে দুয়া করা হলে আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ইসমে আজম এই আয়াতদ্বয়ে রয়েছেঃ-

১.। ‘ওয়া ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদুন লা ইলাহা ইল্লা হুয়ার রাহমানুর রাহিম।’ (সূরা বাকারা : ১৬৩)।

২.। ‘আলীফ লাম মীম। আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম।’ (সূরা আল ইমরান : ১)।


বউয়ের সাথে সহবাস করে যদি অজু করেন তাহলে শরীর পাক পবিত্র হবে না। কেননা সহবাস করলেই গোসল ফরয হয়ে যায়। এ ব্যাপারে উম্মতের ইজমা হয়েছে। সহবাসের দ্বারা বীর্যপাত হোক বা না হোক শুধুমাত্র পুরুষের যৌনাঙ্গের অগ্রভাগ মহিলার গুপ্তাঙ্গে প্রবেশ করলেই গোসল করতে হবে।

দুই লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলে গোসল ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে, মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কেউ স্ত্রীর চার শাখার মাঝে বসে তার সাথে সহবাসের চেষ্টা করে, তখন গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়।

(সূনান নাসাঈ, হাদিস নম্বরঃ ১৯১, ইবনু মাজাহ হাঃ ৬১০, ইরউয়াউল গালীল হাঃ ৮০, ১২৭, বুখারী হাঃ ২৯১, মুসলিম ইসলামিক সেন্টার হাঃ ৬৮৯ হাদিসের মানঃ সহিহ)।

মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা যদি নাপাক অবস্থায় থাকো, তবে ভালোভাবে পবিত্র করে নাও।’ (সুরা মায়েদাঃ ৬)।


বিস্ময় আন্সারস হচ্ছে বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন। এই সাইটে একে অপরের উপকার করাই হচ্ছে মূল উদ্দেশ্যে।

বিস্ময় ডট কমে শুধু প্রশ্ন করে গিফট পেতে পারেন। বিস্ময় প্রশ্নকর্তাদের জন্য প্রতি প্রশ্নের প্রথম ১০,০০০ ভিউ হলেই অটমেটিক সিস্টেম থেকে প্রশ্নে ৫ টি চকলেট জমা হয়ে যাবে। আর ৫ টি চকলেট এর মূল্য ১৫ টাকা।

আবার আপনি যে বিষয়ে জানেন সে বিষয়ে ব্লগ লিখতে পারেন। আপনার ব্লগ মানুষ দেখতে থাকলে ব্লগটি কি পরিমাণ মানুষ দেখছে এবং ব্লগের কোয়ালিটির উপর নির্ভর করে বিস্ময় থেকে আপনার ব্লগে কফি, আইসক্রিম বা বার্গার প্রদান করবে এবং আপনি এর সমপরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।


বাবা যদি ৩ মেয়ে আর ৩ ছেলেকে কিছু সম্পত্তি লিখে দেয় তাহলে অবশিষ্ট সম্পত্তি বাকী ৩ জন ছেলের অংশ হবে না। এক্ষেত্রে পুনরায় আবার ৯ জনের ভাগ করতে হবে।

মুসলিম আইনে বাবা মারা যাওয়ার পর তার যদি ছেলে ও মেয়ে থাকে, তবে রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে ছেলে যা পাবেন, মেয়ে তার অর্ধেক পাবেন। অর্থাৎ ভাইয়েরা যা পাবেন তার অর্ধেক বোনদের বুঝিয়ে দিতে হবে। ইচ্ছা করলেই বোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

আইন অনুযায়ী বাবা যদি কাউকে রেজিস্ট্রি মূলে দান করে দিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্য ভিন্ন কথা। এ ক্ষেত্রে কেউ কারো সম্পত্তি দাবি করতে পারবে না।

জমি যদি রেজিস্ট্রি করে না দেয় এমতাবস্তায় ঐ ব্যক্তি মারা গেলে অবশিষ্ট সম্পত্তি বাকী ৩ জন ছেলের অংশ হবে। পুনরায় আর ৯ জনের ভাগ করতে হবে না।


আগামীকাল বলতে বুঝায় ভবিষ্যতে আসবে বা ঘটবে এমন। উদাহরণ হচ্ছে, আজ শনিবার আর রবিবার হচ্ছে আগামী কাল।

গতকাল বলতে বুঝায় চলে গেছে বা হয়ে গেছে এমন। উদাহরণ হচ্ছে, আজ যদি শনিবার হয় তাহলে আজকের দিনের আগের দিন হচ্ছে গত কাল।

আমরা যদি প্রশ্ন না করি উত্তর দেবে কে? আর সে উত্তর দিয়ে যদি ৩ পয়েন্ট পায়, আমরা প্রশ্ন কারী কেন ১ পয়েন্ট পাবনা?
১...আমি প্রশ্নের উত্তর দিলাম, সেখানে আমার ভুলের কারনে সতর্ক করা হল। কিন্ত, সেটা কিভাবে জানবো? ২...আমি একজনের উত্তর সর্বোত্তম হিসাবে নির্বাচন করলাম সেটা আবার অন্য কেউ উঠিয়ে নেয় কেন?