user-avatar

জামিয়ার রহমান

◯ Jamiar

আপনার বয়স কত বলেন নি তবে বয়স অনুযায়ী বুকের ব্যথার ধরন ও কারন আলাদা হতে পারে তবে জেনে রাখুন বেশ কিছু বুকের ব্যথার কারণ ও ধরন যাই হোক না কেন, তাকে মানুষ মারাত্মক হিসাবেই বিবেচনা করে থাকে। যদি কখনো বুকের ব্যথা হয়ে থাকে তবে নিশ্চয়ই লক্ষ করেছেন যে, ব্যথা খুব বেশি হলে মনে একটা ভয় চলে আসে। মনটা অনেক উদ্বিগ্ন হয়ে যায়। ব্যাপারগুলো খুবই স্বাভাবিক, কারণ বুকের ব্যথা অনেক সময়ই মারাত্মক কারণে হয়ে থাকে।তবে কিছু কিছু ছোট ছোট কারণে যে বুকের ব্যথা হয় না তা কিন্তু নয়।


বাচ্চাদের বুকের ব্যথা সাধারণত সর্দি, ঠাণ্ডা, ফুসফুসের প্রদাহ, ভাইরাল ফিভার, বাতজ্বর, TB হৃৎপিণ্ডে জন্মগত সমস্যা, হৃৎপিণ্ডের ভাল্বের সমস্যা, হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ, অ্যাজমা, নিউমোনিয়া, আঘাতজনিত কারণ এবং অনেক সময় পেটে কোনো মারাত্মক সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। মধ্যবয়সী মানুষের বুকের ব্যথা হওয়ার কারণগুলো হলো, ভাইরাল ফিভার, অ্যাজমা, হার্টের ভাল্বের সমস্যা, জন্মগত হৃদরোগ, হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ, ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ, দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের প্রদাহ হৃৎপিণ্ডে পানি জমা হওয়া, আঘাত জনিত কারণ, ফুসফুসে পানি জমা হওয়া, ফুসফুস ফেটে যাওয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার, কখনো কখনো নিউমোনিয়া ইত্যাদি প্রধান কারণ। মধ্যবয়সে মানুষের বুকের ব্যথার প্রধান কারণ হলো ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ, ফুসফুসে প্রদাহ এবং ফুসফুসে ক্যান্সার জাতীয় হৃদরোগ, পেটের সমস্যার জন্য বুকের ব্যথা। বয়োঃবৃদ্ধ জনিত ব্যক্তিদের বুকের ব্যথার প্রধান কারণ ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ, হার্ট ফেইলুর, ফুসফুসের প্রদাহ ও ক্যান্সার জাতীয় অসুখ, হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ ও হৃৎপিণ্ডের চারদিকে পানি জমা হওয়া, নিউমোনিয়া, অস্থিসন্ধিতে বাতজাতীয় সমস্যা, লিভারের সমস্যা ও পেটের বড় ধরনের কোনো সমস্যার জন্য বুকের ব্যথা হতে পারে। ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ ও তার থেকে হার্ট ফেইলুর আরও একটি অন্যতম কারণ। বিভিন্ন কারণে বুকের ব্যথার ধরন আলাদা হয়ে থাকে।কাজেই আপনি প্রথমত মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার দেখান ও বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দিয়ে চিকিৎসা ও সেবা নিন।

ধন্যবাদ। 

আপনি একজন মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার দেখান ও আপনার রক্ত পরিক্ষা করা লাগবে। এখন   পরিক্ষা ব্যতীত আন্দাজি চিকিৎসা বা ঔষধ খাবেন না।  দ্রুত ডাক্তার দেখান।

ধন্যবাদ। 

ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য।

আপনার মিন্স অনিয়মিত আর এর কারন হলো ওভারিয়ান সিস্ট। আর এরর জন্য নরমেন্স ট্যাবলেট টি ৩ মাস খেতে হবে। ৩ বেলা করে ২১ দিন খাবেন এর পর ৭ দিন অফ রেখে এই ৭ দিনের মধ্যেই মিন্স আসবে এর পর আবার ২১ দিন ৩ ববেলা করে খাবেন এভাবে ৩ মাস  খাওয়ার পর। মিন্সের ১০ তম দিন হতে মিলন করবেন। প্রয়োজনে আবার উক্ত ডাক্তারের কাছে গিয়ে অভুলেশন এর ট্যাবলেট খাবেন। এছাড়াও বিস্তারিত জানতে গাইনি ডাক্তারের কাছে আলোচনা করুন।

যদি আমার উক্ত নিয়মে খান বা ডাক্তারের নিয়মে খাম তাহলে আশা করি কোন সমস্যা হবে না ।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

আসলে বাসর ঘরে ঢুকেই যে সহবাস করতে হবে তা কিন্তু নয় বা বাসর ঘরেই যে সহবাস করতেই হবে সেটাও কিন্তু নহে। আসলে বিয়ের পর বাসর ঘরে বা তার নতুন স্বামীর কাছে খুবেই লজ্জ্বা করে, আপনি প্রথম তার সাথে পরিচিত হোন তার সাথে গল্প করুন আপনাদের প্রেম ভালোবাসার গল্প, একে অপরে বোঝা পোড়া করুন,স্ত্রীকে আপনার বাসার সম্পর্কে আপনার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ধারনা দিন সব শেষে তার সম্মতিতে তাকে আদর ও ভালোবাসা দিন এর পর সে যদি সহবাসে লিপ্ত হতে চায় তাহলে সহবাস করুন। মনে রাখবেন নতুন অবস্থায় জোর পূর্বক কিছু করবেন না।জোর করে কোন কিছু আদায় করা সম্ভব না।ওনি আপনার স্ত্রীর আজ না হয় কাল বা ৩/৪ দিন পর সহবাস করুন সমস্যা নাই, বাসর ঘরেই সহবাস করতে হবে এমটি নয়।যদি ওনি সহবাসে রাজি হয় তাহলে প্রথমে তাকে আদর ও ভালোবাসুন তাড়াহুড়া কিছু করবেন না।তাকে আঘাদ বা কষ্ট দিবেন না তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাবেন না। সব শেষে বলবো আগে নারীর মন জয় করুন দেখবেন আপনাকে সর্গের সুখ দিবে সুখের সংসার পাবেন। তাই স্ত্রীকে আগে ভালোবাসুন তাকে কেয়ার করুন তার সব চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে মন দিন। স্ত্রীর দেহ ভোগের আশায় প্রতিদিন টর্চার করলে স্ত্রীর মন পাওয়া খুবেই মুস্কিল হবে। তাই যা করবেন ভেবে চিন্তে করবেন। এক মাত্র ভালোবাসাই পারে সব কিছুকে জয় করতে। ধন্যবাদ। 

আসলে বাসর ঘরে ঢুকেই যে সহবাস করতে হবে তা কিন্তু নয় বা বাসর ঘরেই যে সহবাস করতেই হবে সেটাও কিন্তু নহে। আসলে বিয়ের পর বাসর ঘরে বা তার নতুন স্বামীর কাছে খুবেই লজ্জ্বা করে, আপনি প্রথম তার সাথে পরিচিত হোন তার সাথে গল্প করুন আপনাদের প্রেম ভালোবাসার গল্প, একে অপরে বোঝা পোড়া করুন,স্ত্রীকে আপনার বাসার সম্পর্কে আপনার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ধারনা দিন সব শেষে তার সম্মতিতে তাকে আদর ও ভালোবাসা দিন এর পর সে যদি সহবাসে লিপ্ত হতে চায় তাহলে সহবাস করুন। মনে রাখবেন নতুন অবস্থায় জোর পূর্বক কিছু করবেন না।জোর করে কোন কিছু আদায় করা সম্ভব না।ওনি আপনার স্ত্রীর আজ না হয় কাল বা ৩/৪ দিন পর সহবাস করুন সমস্যা নাই, বাসর ঘরেই সহবাস করতে হবে এমটি নয়।যদি ওনি সহবাসে রাজি হয় তাহলে প্রথমে তাকে আদর ও ভালোবাসুন তাড়াহুড়া কিছু করবেন না।তাকে আঘাদ বা কষ্ট দিবেন না তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাবেন না। সব শেষে বলবো আগে নারীর মন জয় করুন দেখবেন আপনাকে সর্গের সুখ দিবে সুখের সংসার পাবেন। তাই স্ত্রীকে আগে ভালোবাসুন তাকে কেয়ার করুন তার সব চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে মন দিন। স্ত্রীর দেহ ভোগের আশায় প্রতিদিন টর্চার করলে স্ত্রীর মন পাওয়া খুবেই মুস্কিল হবে। তাই যা করবেন ভেবে চিন্তে করবেন। এক মাত্র ভালোবাসাই পারে সব কিছুকে জয় করতে। ধন্যবাদ। 

আসলে বাসর ঘরে ঢুকেই যে সহবাস করতে হবে তা কিন্তু নয় বা বাসর ঘরেই যে সহবাস করতেই হবে সেটাও কিন্তু নহে। আসলে বিয়ের পর বাসর ঘরে বা তার নতুন স্বামীর কাছে খুবেই লজ্জ্বা করে, আপনি প্রথম তার সাথে পরিচিত হোন তার সাথে গল্প করুন আপনাদের প্রেম ভালোবাসার গল্প, একে অপরে বোঝা পোড়া করুন,স্ত্রীকে আপনার বাসার সম্পর্কে আপনার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ধারনা দিন সব শেষে তার সম্মতিতে তাকে আদর ও ভালোবাসা দিন এর পর সে যদি সহবাসে লিপ্ত হতে চায় তাহলে সহবাস করুন। মনে রাখবেন নতুন অবস্থায় জোর পূর্বক কিছু করবেন না।জোর করে কোন কিছু আদায় করা সম্ভব না।ওনি আপনার স্ত্রীর আজ না হয় কাল বা ৩/৪ দিন পর সহবাস করুন সমস্যা নাই, বাসর ঘরেই সহবাস করতে হবে এমটি নয়।যদি ওনি সহবাসে রাজি হয় তাহলে প্রথমে তাকে আদর ও ভালোবাসুন তাড়াহুড়া কিছু করবেন না।তাকে আঘাদ বা কষ্ট দিবেন না তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাবেন না। সব শেষে বলবো আগে নারীর মন জয় করুন দেখবেন আপনাকে সর্গের সুখ দিবে সুখের সংসার পাবেন। তাই স্ত্রীকে আগে ভালোবাসুন তাকে কেয়ার করুন তার সব চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে মন দিন। স্ত্রীর দেহ ভোগের আশায় প্রতিদিন টর্চার করলে স্ত্রীর মন পাওয়া খুবেই মুস্কিল হবে। তাই যা করবেন ভেবে চিন্তে করবেন। এক মাত্র ভালোবাসাই পারে সব কিছুকে জয় করতে। ধন্যবাদ। 

 Toshiba GR-M25SEBZ এই ফ্রিজের অনলাইন দাম  46,900 টাকা, এটি 

  • Inverter Technology
  • 2.Japan Technology
  • 3.Hybrid Bio Deodorizer
  • 4.Cool Air Wrap System
  • 5.Freezer Deodorizer
  • 6.Tempered Glass Shelf & LED Light
  • 7. 186 litre


মা’জুন মুগাল্লিয কাগজী বাদাম, নারিকেল, চিলগূযা, ছালেব মিছরী, রুমী মস্তগী ইত্যাদি ওষুধি উপাদানের অনন্য সমন্বয়ে প্রস্তুত, যা বীর্য গাঢ় করে, শুক্র তারল্য দূর করে। ইহা শুক্রমেহ ও অসময়ে বীর্যপাত রোধ করে। মা’জুন মুগাল্লিযে ব্যবহৃত উপাদানগুলো বীর্য রসকে গাঢ় করে, সঙ্গমের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে এবং যৌন অক্ষমতা দূর করে।এটির নির্দেশনা :-শুক্রমেহ, যৌন দুর্বলতা, দ্রুত বীর্যপাত রোদ করতে সহায়তা করে।

ধন্যবাদ। 

এটি নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে কোন উল্লেখযোগ্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া প্রভাব ফেলে না। 

যেহেতু আপনার পাকস্থলী /লিভার সংক্রন্ত সমস্যা রয়েছে সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই উত্তম।আপনি একজন লিভার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর কাছে প্রেসক্রিপশন করে নিন।

এসব হাম হতে পারে যা প্রতিটি নবজাতক শিশুর হয়ে থাকে।কাজেই দ্রুত কোন অবিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর কাছে যান ও বাচ্চাকে চিকিৎসা দিন।

এই শিতে শিশুর গায়ে তেল মালিস করতে চাইলে অবশ্যই অলিতেলিয়া অলিভ অয়েল ইউস করবেন। পাশাপাশি বেবি লোসন ইউস করতে পারেন। কিন্তু সব থেকে ভালো হবে ওলিভ ওয়েল ইউস করা।

ধন্যবাদ।

বিস্ময়ের সাথেই থাকুন।

আসলে নারীদের যখন চরম যৌন অনুভূতি হয় তখন তাদের গোপনাঙ্গ থেকে কামরস বের হয় ফলে ভিজে যায়,এটা কোন সমস্যা নয় বরং ভালো ও সুস্থ্য রয়েছে।আর হ্যা ঠিক তখনেই যৌন মিলনে সে তৃপ্তি অনুভব করতে পারবে।

আর প্রাকৃতিক ভাবে যৌন শক্তি বাড়াতে পুষ্টিকর খাবার খান,মধু রসুন ও মসলা যুক্ত খাবার খাবেন। সপ্তাহে ২/১ দিনের বেশি মিলন করবেন না।মিলনের সময় তারাহুড়া করবেন না।আশা করি টাইম পাবেন।

ধন্যবাদ। 

আপনার সমস্যাটি গ্যাস্ট্রিক বা পাকস্থলী সংক্রন্ত সমস্যা র কারন এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্য হলেও এরকম সমস্যা হয় কাজেই একজন চিকিৎসক এর পরামর্শে প্রেসক্রিপশন করে নিন। 

আপনি মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার দেখান এবং চিকিৎসা নিন। এখানে না দেখে বুঝে কিছু বলা সম্ভব না।

ধন্যবাদ। 

যৌন সমেস্যা?

Jamiar
Sep 24, 10:17 AM

আপনি প্রথমত হস্তমৈথুন বন্ধ করুন।   আপনার লিঙ্গের যত সমস্যা  সব গুলোই হস্তমৈথুন এর কারনে আর এর কারনেই লিঙ্গের চামরা ঢিলা হয়েছে, দ্রুত বীর্য আশে, উত্থানজনিত সমস্যা সহ শরীরের নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে।আপনি পুষ্টিকর খাবার খান ও হস্তমৈথুন বন্ধ করুন আগামী ১ বছর স্বাভাবিক ভাবেই জীবন যাপন করে বিবাহ করুন, এবং বিবাহের পর প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন।

আসলে ফেমিকন পিল মিন্সের সময় হতে খাওয়া শুরু করতে হয়। এছাড়াও অন্যন্য সময়ে এই পিল খাওয়া শুরু করলে অবশ্যই পিল খাওয়া ৭ দিন পর মিলন করতে হয় বা মিলনের ৭ দিন আগে থেকেই পিল খাওয়া শুরু করতে হয়।সেক্ষেত্রে আপনার স্ত্রীর ফেমিকন পিল খাওয়া মারাত্মক ভুল হয়েছে যা প্রেগন্যান্সি রোধে সম্ভব নাও হতে পারে।

তবে যেহেতু পিল খাওয়া শুরু করাইছেন সেক্ষেত্রে খেতেই থাকুক আগামী ২১ দিন সাদা পিল গুলো এর পর খয়েরী পিল খাওয়াবেন ও খয়েরী পিল খাওয়াকালিন মিলন করবেন।

ধন্যবাদ। 

ভাই কনডম তো মুখে নেওয়ার মত জিনিস না যে মুখে নিলে বমি আশে। তাছাড়া কনডম ব্যবহার এ মিলন করেই সেটা ফেলেদিন ডাসবিন এ সেক্ষেত্রে তো আপনার স্ত্রীর নাকে গন্ধ বা সুগন্ধি পাওয়া বা না পাওয়ার কোন প্রশ্নই আশে না তাইনা। যাইহোক সুগন্ধি যুক্ত কনডম নিতে ফার্মেসীতে যোগাযোগ করুন পেয়ে যাবেন।

ধন্যবাদ। 

দাউদ এর জন্য ভালো ক্রিম হলো ফাঙ্গিসন যা ফার্মেসীতে পাবেন যার বর্তমান মূল্য ৪৫ টাকা।এছাড়াও দাউদ এর জন্য এন্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন হতে পারে। কাজেই দাউদ যদি উক্ত ক্রিমের মাধ্যমে সমাধান না পান তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ কাছে যাবেন।

ধন্যবাদ। 

না, কনডমে যথেষ্ট লুব্রিক্যান্ট থাকে সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত তেল/জেল না নিলেও চলে।তবে যদি স্ত্রী যোনিদাড়া কামরস নির্গত তেমন না হয় বা মিলনে ব্যথা অনুভব হয় সেক্ষেত্রে জেল/তেল নিতে পারেন সেটা যোনিতে হোক বা কনডমের উপরে হোক।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

ধন্যবাদ। 

পেটে ব্যথার কারন কিন্তু গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে, এছাড়াও পাকস্থলী সংক্রান্ত সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য বা আমাশয় হলেও পেটে ব্যথা হয়।যেহেতু আপনার কোন সমস্যা ধরা পরে নি সেক্ষেত্রে হতে পারে এটি গ্যাস্ট্রিক এর ব্যথা কাজেই আপনি প্রথমত গ্যাস্ট্রিক থেকে সাবধন থাকুন অর্থাৎ গ্যাস্ট্রিক এর ট্যাবলেট খেতে পারেন এছাড়াও ইসুবগুলের ভূসির সর্বত কিন্তু খুব ভালো কাজে দিবে। তা নিয়মিতভাবে খেতে পারেন খালিপেটে। 

বাশিখাবার,খোলা খাবার,ভাজাপোড়া, তেলেভাজা খাবার, তেলের খাবার চর্বিযুক্ত খাবার, এছাড়াও গ্যাস্ট্রিক করে এমন খাবার পরিহার করতে হবে।এছাড়াও প্রয়োজনে চিকিৎসক এর পরামর্শে প্রেসক্রিপশন করে নিন।


আশা করি সুস্থ্য থাকবেন।


ধন্যবাদ। 

পেটে ব্যথার কারন কিন্তু গ্যাস্ট্রিক হয়ে থাকে, এছাড়াও পাকস্থলী সংক্রান্ত সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য বা আমাশয় হলেও পেটে ব্যথা হয়।যেহেতু আপনার কোন সমস্যা ধরা পরে নি সেক্ষেত্রে হতে পারে এটি গ্যাস্ট্রিক এর ব্যথা কাজেই আপনি প্রথমত গ্যাস্ট্রিক থেকে সাবধন থাকুন অর্থাৎ গ্যাস্ট্রিক এর ট্যাবলেট খেতে পারেন এছাড়াও ইসুবগুলের ভূসির সর্বত কিন্তু খুব ভালো কাজে দিবে। তা নিয়মিতভাবে খেতে পারেন খালিপেটে। এছাড়াও প্রয়োজনে চিকিৎসক এর পরামর্শে প্রেসক্রিপশন করে নিন।

আশা করি সুস্থ্য থাকবেন।

ধন্যবাদ। 

আসলে আন্ডারওয়ার না পরলে সম্ভ্রম পুরোপুরি ঢাকা যায় না। অবশ্য অনেক ছেলেই আন্ডারওয়ার পরেন না। গরমে আপনার সমস্যা হলে কিছুদিন নাও পরতে পারেন। এছাড়া গরমে ঢিলেঢালা প্যান্ট পরলেও আরাম পাবেন। এছাড়া সুতি ট্রাউজার, হাফ প্যান্ট এগুলোও পরতে পারেন।

আর হ্যা অবশ্যই আন্ডারওয়ার পরতে পারেন তবে অন্তর্বাস বা জাঙ্গিয়া হতে হবে পরিস্কার, সুতি এবং ঢিলা ঢালা। হাল্কা রঙের অন্তর্বাস ব্যবহার করা ভালো যাতে করে ময়লা হলে সহজেই বোঝা যায়। আন্ডারওয়ার অবশ্যই প্রতিদিন চেন্জ করে পড়া দরকার। বিশেষ করে যারা বেশী ঘামেন কিংবা বেশী সময় বাইরে থাকেন তাদের জন্য প্রতিদিন পরিস্কার আন্ডারওয়ার (Underwear) পরে বের হওয়া জরুরী অপরিস্কার আন্ডারওয়ার ব্যবহারের ফলে ঊরুসন্ধি, পুরুষাঙ্গ এবং অন্ডথলি তে দুর্গন্ধ, ঘা এবং ইনফেকশন হতে পারে কাজেই প্রতিনিয়ত আন্ডারওয়ার পরিস্কার করবেন।

তবে মনে রাখবেন আন্ডারওয়ার টাইট পড়বেন না, আন্ডারওয়ার পরধানে লিঙ্গ বাকা হয়ে থাকতে পারে তবে উত্তেজিত হলে ঠিক হবে বা এতে মিলনে সমস্যা হবে না, তবে সাবার ক্ষেত্রে তা হয় না।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

ধন্যবাদ। 

যেহেতু মিলনের পর ইমার্জেন্সি পিল খাওয়াইছেন সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকবে না।তবে হ্যা ইমার্জেন্সি পিলের কারনে মাসিকে ঝামেলা হয়, যা ১/২ সপ্তাহ মাসিকের সময় পিছিয়ে যায়।তাই অপেক্ষা করুন হয়ে যাবে।


আপনি লক্ষ করুন সেগুলো খাউজ কিনা বা অতিরিক্ত চুলকায় কিনা,   সাদা সাদা গোল গোল হয়েছে এরকম হলে সেখানে ফাঙ্গিসন ক্রিম ইউস করুন দিনে দুইবার,আর হ্যা অবশ্যই ভিজা ও স্যাঁতসেঁতে প্যান্ট পড়বেন না, প্রতিদিন গোপনাঙ্গে নারকেল তেল ব্যবহার করবেন। 

উক্ত ফাঙ্গিসন ক্রিম ব্যবহার এ কমে গেলে নিয়মিতভাবে ব্যবহার করতে থাকুন আর সে সব আসতে আসতে কালো হয়ে মিশে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসক এর পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশন করে নিতে পারেন।

ধন্যবাদ। 

আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আমার এই উত্তর থেকে পড়ুন।

আসলে মেয়েদের প্রতিমাসেই ডিম্বশয়ে একটি করে ডিম্ব তৈরি হয়। আর এই ডিম্বটি নিষিক্ত হওয়ার জন্য ফিলুপিউন টিউবে দিয়ে জরায়ুতে এসে ১২-২৪ ঘন্টা কারো ক্ষেত্রে ৩৩-৩৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে এর মাঝে পুরুষের শুক্রানু ডিম্ভর সাথে মিলিত না হলে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে যোনিদাড়া বেড়িয়ে আশে (রক্ত হিসাবে যাকে মাসিক বা ঋরুস্রাব বা পিরিয়ড ও ইত্যাদি নামে চিনি ) এই প্রক্রিয়াকে ওভ্যুলেশন বলে।

এই ওভ্যুলেশন হতে পারে যাদের পিরিয়ড নিয়মিতভাবে ২৮/৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে ১৪/১৬ তম দিনের মধ্যে ডিম্বপাত (ওভ্যুলেশন) হয়ে থাকে। আর এই ওভ্যুলেশন এর লক্ষণ গুলো হল

ওভুলেশন যন্ত্রনা বা পেটের যন্ত্রনা দেখা যায়

যৌনখুধা বৃদ্ধি পায় ফলে সহবাসের জন্য উতলা হয়ে উঠা

নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং মাথা ধরে

তলপেটে চিন চিন ব্যথা করতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা উঠানামা হয়।

ওভ্যুলেশন এর সময়ে যৌন উত্তেজনায় খুব শীগ্রই কামরস নির্গত হতে পারে যা আঠালো। 

ওভ্যুলেশন এর প্রথম দিকে এই লক্ষণ গুল দেখা দিতে পারে ,কিন্তু পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এটা বোঝা যায় যে কবে ওভুলেশন ডেট হবে আর সেই অনুযায়ী মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশিই থাকে এবং এ সময় মিলনে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশিই থাকে। কারন এ সময়ে শক্তিশালী শুক্রানু ডিম্বর সাথে মিলত হয়ে থাকে ফলে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তাছাড়া ছেলে বা মেয়ে সন্তান হোক না কেন এসব আল্লাহর দান।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

আসলে মেয়েদের প্রতিমাসেই ডিম্বশয়ে একটি করে ডিম্ব তৈরি হয়। আর এই ডিম্বটি নিষিক্ত হওয়ার জন্য ফিলুপিউন টিউবে দিয়ে জরায়ুতে এসে ১২-২৪ ঘন্টা কারো ক্ষেত্রে ৩৩-৩৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে এর মাঝে পুরুষের শুক্রানু ডিম্ভর সাথে মিলিত না হলে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে যোনিদাড়া বেড়িয়ে আশে (রক্ত হিসাবে যাকে মাসিক বা ঋরুস্রাব বা পিরিয়ড ও ইত্যাদি নামে চিনি ) এই প্রক্রিয়াকে ওভ্যুলেশন বলে।

এই ওভ্যুলেশন হতে পারে যাদের পিরিয়ড নিয়মিতভাবে ২৮/৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে ১৪/১৬ তম দিনের মধ্যে ডিম্বপাত (ওভ্যুলেশন) হয়ে থাকে। আর এই ওভ্যুলেশন এর লক্ষণ গুলো হল–

ওভুলেশন যন্ত্রনা বা পেটের যন্ত্রনা দেখা যায়

যৌনখুধা বৃদ্ধি পায় ফলে সহবাসের জন্য উতলা হয়ে উঠা

নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং মাথা ধরে

তলপেটে চিন চিন ব্যথা করতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা উঠানামা হয়।

ওভ্যুলেশন এর সময়ে যৌন উত্তেজনায় খুব শীগ্রই কামরস নির্গত হতে পারে যা আঠালো। 

ওভ্যুলেশন এর প্রথম দিকে এই লক্ষণ গুল দেখা দিতে পারে ,কিন্তু পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এটা বোঝা যায় যে কবে ওভুলেশন ডেট হবে আর সেই অনুযায়ী মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশিই থাকে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

প্রশ্নকারী প্রশ্ন করার আগে নমনীয়তা,সৌন্দর্য, ও ভদ্রতা বজায় রেখেই প্রশ্ন করবেন।

উত্তর_না পুরুষের বীর্য কোন নারী পান করলে সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকবে না। তবে মনে রাখবেন বীর্য খাওয়া হারাম ও গোনাহের কাজ।

ধন্যবাদ। 

আপনার পেনিশের সাইজ অনুযায়ী যেকোন কোম্পানির কনডম নিতে পারেন সমস্যা নেই।তবে প্রয়োজনে লুব্রিক্যান্ট ইউস করতে পারেন।  এতে আরামদায়ক হবে।

ধন্যবাদ।