user-avatar

জামিয়ার রহমান

◯ Jamiar

আপনি লক্ষ করুন সেগুলো খাউজ কিনা বা অতিরিক্ত চুলকায় কিনা,   সাদা সাদা গোল গোল হয়েছে এরকম হলে সেখানে ফাঙ্গিসন ক্রিম ইউস করুন দিনে দুইবার,আর হ্যা অবশ্যই ভিজা ও স্যাঁতসেঁতে প্যান্ট পড়বেন না, প্রতিদিন গোপনাঙ্গে নারকেল তেল ব্যবহার করবেন। 

উক্ত ফাঙ্গিসন ক্রিম ব্যবহার এ কমে গেলে নিয়মিতভাবে ব্যবহার করতে থাকুন আর সে সব আসতে আসতে কালো হয়ে মিশে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসক এর পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশন করে নিতে পারেন।

ধন্যবাদ। 

আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আমার এই উত্তর থেকে পড়ুন।

আসলে মেয়েদের প্রতিমাসেই ডিম্বশয়ে একটি করে ডিম্ব তৈরি হয়। আর এই ডিম্বটি নিষিক্ত হওয়ার জন্য ফিলুপিউন টিউবে দিয়ে জরায়ুতে এসে ১২-২৪ ঘন্টা কারো ক্ষেত্রে ৩৩-৩৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে এর মাঝে পুরুষের শুক্রানু ডিম্ভর সাথে মিলিত না হলে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে যোনিদাড়া বেড়িয়ে আশে (রক্ত হিসাবে যাকে মাসিক বা ঋরুস্রাব বা পিরিয়ড ও ইত্যাদি নামে চিনি ) এই প্রক্রিয়াকে ওভ্যুলেশন বলে।

এই ওভ্যুলেশন হতে পারে যাদের পিরিয়ড নিয়মিতভাবে ২৮/৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে ১৪/১৬ তম দিনের মধ্যে ডিম্বপাত (ওভ্যুলেশন) হয়ে থাকে। আর এই ওভ্যুলেশন এর লক্ষণ গুলো হল

ওভুলেশন যন্ত্রনা বা পেটের যন্ত্রনা দেখা যায়

যৌনখুধা বৃদ্ধি পায় ফলে সহবাসের জন্য উতলা হয়ে উঠা

নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং মাথা ধরে

তলপেটে চিন চিন ব্যথা করতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা উঠানামা হয়।

ওভ্যুলেশন এর সময়ে যৌন উত্তেজনায় খুব শীগ্রই কামরস নির্গত হতে পারে যা আঠালো। 

ওভ্যুলেশন এর প্রথম দিকে এই লক্ষণ গুল দেখা দিতে পারে ,কিন্তু পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এটা বোঝা যায় যে কবে ওভুলেশন ডেট হবে আর সেই অনুযায়ী মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশিই থাকে এবং এ সময় মিলনে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশিই থাকে। কারন এ সময়ে শক্তিশালী শুক্রানু ডিম্বর সাথে মিলত হয়ে থাকে ফলে ছেলে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।তাছাড়া ছেলে বা মেয়ে সন্তান হোক না কেন এসব আল্লাহর দান।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

আসলে মেয়েদের প্রতিমাসেই ডিম্বশয়ে একটি করে ডিম্ব তৈরি হয়। আর এই ডিম্বটি নিষিক্ত হওয়ার জন্য ফিলুপিউন টিউবে দিয়ে জরায়ুতে এসে ১২-২৪ ঘন্টা কারো ক্ষেত্রে ৩৩-৩৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে এর মাঝে পুরুষের শুক্রানু ডিম্ভর সাথে মিলিত না হলে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে যোনিদাড়া বেড়িয়ে আশে (রক্ত হিসাবে যাকে মাসিক বা ঋরুস্রাব বা পিরিয়ড ও ইত্যাদি নামে চিনি ) এই প্রক্রিয়াকে ওভ্যুলেশন বলে।

এই ওভ্যুলেশন হতে পারে যাদের পিরিয়ড নিয়মিতভাবে ২৮/৩০ দিনে হয় তাদের ক্ষেত্রে ১৪/১৬ তম দিনের মধ্যে ডিম্বপাত (ওভ্যুলেশন) হয়ে থাকে। আর এই ওভ্যুলেশন এর লক্ষণ গুলো হল–

ওভুলেশন যন্ত্রনা বা পেটের যন্ত্রনা দেখা যায়

যৌনখুধা বৃদ্ধি পায় ফলে সহবাসের জন্য উতলা হয়ে উঠা

নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং মাথা ধরে

তলপেটে চিন চিন ব্যথা করতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা উঠানামা হয়।

ওভ্যুলেশন এর সময়ে যৌন উত্তেজনায় খুব শীগ্রই কামরস নির্গত হতে পারে যা আঠালো। 

ওভ্যুলেশন এর প্রথম দিকে এই লক্ষণ গুল দেখা দিতে পারে ,কিন্তু পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এটা বোঝা যায় যে কবে ওভুলেশন ডেট হবে আর সেই অনুযায়ী মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশিই থাকে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।

প্রশ্নকারী প্রশ্ন করার আগে নমনীয়তা,সৌন্দর্য, ও ভদ্রতা বজায় রেখেই প্রশ্ন করবেন।

উত্তর_না পুরুষের বীর্য কোন নারী পান করলে সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকবে না। তবে মনে রাখবেন বীর্য খাওয়া হারাম ও গোনাহের কাজ।

ধন্যবাদ। 

আপনার পেনিশের সাইজ অনুযায়ী যেকোন কোম্পানির কনডম নিতে পারেন সমস্যা নেই।তবে প্রয়োজনে লুব্রিক্যান্ট ইউস করতে পারেন।  এতে আরামদায়ক হবে।

ধন্যবাদ। 

হ্যা অবশ্যই যাবে।আপনি এন্ড্রয়েট টিভির পিছনে লক্ষ করুন ডিস লাইনের প্লাগ প্রবেশের যায়গা রয়েছে সেখানে সেট করুন ও চ্যালেন সার্চ দিন।না পারলে এসব বিষয়ে আপনার আশেপাশে থাকা কোন এক্সপার্ট ভাইয়ের হেল্প নিন।

অপেক্ষা করুন সময়ের সাথে সাথে বিস্ময়ের আপডেট নিয়ে সব কিছু সমাধান করা হবে।তাই বিস্ময়ের সাথেই থাকুন।

পেট মোচর দেয় পায়খানা হয় না বা তলপেটে মৃদু ব্যথা হয়, কখনো পায়খানা নরম ও সামান্য হওয়া, যে বেগে পায়খানার চাপ আশে সে অনুযায়ী  পায়খানা না হওয়া সহ রুচি কম, ঢেকুর আশা এসব কোষ্ঠকাঠিন্য কারন হয়ে থাকে। এছাড়াও এর কারন গ্যাস্ট্রিক আলসার, পেপটিক আলসার সহ দায়ী হতে পারে। কাজেই চিকিৎসক এর পরামর্শে প্রেসক্রিপশন করে নিন।

ধন্যবাদ। 

এএরকম হতে পারে লিভার সংক্রন্ত সমস্যা হলে যা তরকারি বা ভাত বা মসলা জাতীয় জিনিসের গন্ধ পেলেই বমি ভাব আশে ফলে খাবার রুচি না থাকা সহ পায়খানা নিয়মিত হয় না।

যদি এরকম কিছু সমস্যা ফিল করেন তাহলে দ্রুত চিকিৎসক এর কাছে যান ও চিকিৎসা নিন। আর হ্যা মনে রাখবেন পঁচা পেঁয়াজ এর গন্ধতে কিন্তু বমি ভাব আসে যা স্বাভাবিক সেক্ষেত্রে কিন্তু ভয় বা দুশ্চিন্তা কিছু নেই।

আপনি হয়তো এ্যালবেন্ডাজল জাতীয় ট্যাবলেট খেয়েছেন। আর এসব ট্যাবলেট ৩/৪ মাস পর পর ১ টি ডোজ নিয়ে ৭ দিন পর আর একটি ডোজ নিতে হয়।

এছাড়াও সোলাস ট্যাবলেট ২ বেলা করে ৩ দিন খেতে পারেন এর পর ৭/১৪ দিন পর আবার ২ বেলা করে ৩ দিন খেতে পারেন।তবে অবশ্যই চিকিৎসক এর পরামর্শ নিবেন।

ধন্যবাদ। 

যদি মিলনের ৭২ ঘন্টার মধ্যে পিল সেবন করেন তাহলে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকবে না।তাছাড়া মিলনে কনডম রাখায় প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা নাই।

তাই অপেক্ষা করুন মিন্স হবে তবে পিলের কারনে একটু অনিয়ম হতে পারে তাই অপেক্ষা করুন।

তবে মনে রাখবেন বিয়ের আগে পরকিয়ার করা,নিজের মান ইজ্জ্বৎ পরপুরুষ কে দেওয়া/দেখানো খুব মারাত্মক গোনাহ কাজেই তওবা করুন ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন।

যদি মিলনের  ৭২ ঘন্টার মধ্যে পিল সেবন করেন তাহলে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকবে না।তাছাড়া মিলনে কনডম রাখায় প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা নাই।

তাই অপেক্ষা করুন মিন্স হবে তবে পিলের কারনে একটু অনিয়ম হতে পারে তাই অপেক্ষা করুন।

তবে মনে রাখবেন বিয়ের আগে পরকিয়ার করা,নিজের মান ইজ্জ্বৎ পরপুরুষ কে দেওয়া/দেখানো খুব মারাত্মক গোনাহ কাজেই তওবা করুন ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন।


যেহেতু মাসিক চলাকালীন মিলন করেছেন সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা ছিলো না।তবুও ইমার্জেন্সি পিল খেয়েছে।সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা নাই।আর অতিরিক্ত মাসিকের রক্তপাত যাওয়ার কারন মুলত ইমার্জেন্সি পিল সেবন করা।

যার কারনেই অস্বাভাবিক ভাবেই মাসিকের রক্তপাত যাচ্ছে।যাইহোক অপেক্ষা করুন কয়েকদিনের মধ্যেই রক্তপাত বন্ধ হবে।তবে এসব ইমার্জেন্সি পিল কখনোই খাওয়ানো উচিৎ না।এতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।


আপনি পুরাতন কাবিন/বিয়ের রেজিস্টারি যে কাজির কাছ থেকে করেছেন সেই কাজির সাহায্য নিন।তাহলেই সব বিস্তারিত বুঝতে পারবেন। 

ওনার পায়ুপথ এ পানি প্রবেশ এর জন্য কোমর ব্যথা করবে না।ওনার কোমর ব্যথার জন্য ক্যালসিয়াম এর অভাব এর কারন হতে পারে।কাজেই ওনাকে চিকিৎসক এর কাছে যেতে বলুন।

ওনার ধারনা ভুল। ভাই আপনার স্ত্রীর মত অনেক অনেক মেয়েই আছে যারা এসব বিষয়ে জানে না ও অন্যের কথায় ভুল বুঝে ও নানান সমস্যা সৃষ্টি করে।

ভাই বাচ্চা হওয়ার সাথে লিঙ্গের সাইজের কোন সম্পর্ক নেই মাত্র ৩ ইঞ্চি লিঙ্গ দিয়েও বাচ্চা নেওয়া যাবে কোন সমস্যা নাই।মুলত যদি ওনার গাইনি সংক্রান্ত সমস্যা থাকে তাহলে ওনার বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। কাজেই ওনাকে গাইনি ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।

ওনাকে একজন ভালো ক্লিনিকেত স্বাস্থ্য কর্মির সাথে কথা বলিয়ে নিন ওনাকে বুঝালেই হয়তো ওনি বুঝবে। আর হ্যা তালাক না নিয়ে ওনাকে বুঝানোর জন্য ক্লিনিকের স্বাস্থ্য কর্মিকে পাঠিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে নিন। দেখবেন সব ঠিক হবে।


ধন্যবাদ। 

যেহেতু মিলনের পর মাসিক হয়েছে তাই এ মাসে মাসিক মিসিং এর অন্য কারন থাকতে পারে । তাই অপেক্ষা করুন হয়ে  যাবে মিন্স।


আপনার স্ত্রী যেভাবে ফেমিকন পিল খেয়েছে সেক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না কেনো না ফেমিকন হলো স্বল্পমেয়াদী পিল যা খাওয়া শুরু করলে নিয়মিতভাবে ২১ দিন খেতে হবে। 

আপনার স্ত্রী অনিয়ম করে পিল খেয়েছে যার কারনে ওনার মিন্সে ঝামেলা দেখা দিয়েছে। আর হ্যা ওনার পিল খাওয়া ভুল সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকে।কাজেই যেহেতু ১৪ দিন হলো মিন্স মিসিং এর তাই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করুন ও।

ধন্যবাদ। 

বীর্য যোনিতে না ফেললেও পাতলা বীর্য যেতেই পারে বা প্রটেকশন ব্যতীত মিলনে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থেকেই যায়।কাজেই অপেক্ষা করতে বলেন ওনাকে।

যদি ২য় মাসে মিলন না করেন তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। কেনো না মিলনের পর মিন্স হলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। সেক্ষেত্রে ২ মাসে মিলন না করলে প্রেগন্যান্ট হবে না। শুধু অপেক্ষা করবেন মিন্স হয়ে যাবে।


ধন্যবাদ। 



যদি ২য় মাসে মিলন না করেন তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।শুধু অপেক্ষা করবেন মিন্স হয়ে যাবে।


ধন্যবাদ। 

যদি ২য় মাসে মিলন না করেন তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।শুধু অপেক্ষা করবেন মিন্স হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ। 

আপনার স্ত্রীর মাসিকের সময় ছিলো ২৯ তারিখে আপনারা মিলন করছেন ২২/২৩ তারিখে আর ইমার্জেন্সি পিউলী পিল খেয়েছে।আর এই পিলের কারনেই মাসিকের ঝামেলা হচ্ছে।সাধারণত পিলের কারনে মাসিক এর সময় পিছিয়ে যায় ২/৩ সপ্তাহ পর্যন্ত এর কারো ক্ষেত্রে ৩ মাস পর্যন্ত মাসিক অনিয়মিতভাবে হয় ১ টি ইমার্জেন্সি পিল সেবনে।

যেহেতু ইমার্জেন্সি পিল খাওয়াইছেন সেক্ষেত্রে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা নাই। আর হ্যা ১৬ সেপ্টেম্বর মিলন করা উচিৎ হয় নি কারন ওনার মাসিক হয় নি কাজেই অপেক্ষা করা উচিৎ ছিলো।

যাইহোক অপেক্ষা করুন এখন মিলন করবেন না। আগামী ২/১ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন মিন্স হয়ে যাবে।

তবে হ্যা এসব ইমার্জেন্সি পিল অতিরিক্ত খাওয়াবেন না এতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে পরে কাজেই মিলনে কনডম নিবেন।

ধন্যবাদ।

ভাই আপনার মুরগি কত গুলো তা বলেন নি। তবে যত দ্রুত এসব মুরগি কে cipocol fort  সেলাইন টি খাওয়ান এটা  পানিতে গুলিয় দিবেন।  এই পাতা ৩৫ টাকা নিবে।

আপনার মুরগির সং্খ্যা কত গুলো ? 


আপনি যদি কোন ছেলে বা মেয়ের ব্যপারে কাউকে কিছু বলেন তাহলে অবশ্যই উক্ত মেয়ে বা ছেলের ভালোদিক গুলো তুলে ধরবেন কিন্তু কখনোই মিথ্যা বলবেন না বা তার ভালো দিক গুলো বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলবেন না।

যদি কোন ছেলে বা মেয়ের ব্যপারে খারাপ দিক গুলো তুলে ধরেন যে ছেলেটি এরকম খারাপ বা মেয়েটি এরকম খারাপ তাহলে এটা গীবত হবে এছাড়াও কারো খারাব দিক নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করলে গিবত হবে। তবে হ্যা যদি কোন ছেলে বা মেয়ে খুবেই খারাপ হয় ও তার এসব খারাপ দিক গুলো উক্ত ব্যক্তিকে জানিয়ে দিলে উক্ত ব্যক্তির উপকার হবে সেক্ষেত্রে বলা যাবে। কিন্তু অযথা কারো খারাপ দিক তুলে ধরবেন না বা কাউকে বলা যাবে না।

আপনি সর্বদাই মানুষের ভালোদিক গুলো তুলে ধরবেন বা কেউ জানতে চাইলে বলবেন। কেনো না একজন ভালো মানুষ অন্যন্য মানুষের ভালো চায়।আর একজন খারাপ মানুষ অন্য মানুষের খারাপ চায়, তাই সর্বদাই এরা মানুষের গীবত গায়।

কাজেই আপনি মানুষের ভালো সাইট গুলো প্রকাশ করবেন যদি কেউ জানতে চায় অন্যথায় নয়।

আশা করি বুঝতে পারছেন।


আপনি খেয়াল করুন কোমর বা হাটু মসকে গেছে কিনা।যদি ব্যথা স্বাভাবিক ভাবেই ব্যয়াম করার কারনে হয়ে থাকে তাহলে আপনি ব্যয়াম করা চালিয় যান দেখবেন ব্যথা চলে যাবে যদি ব্যথা গুলো খুবেই অসহনীয় হয় তাহলে চিকিৎসক এর কাছে যাবেন।।

আপতত ১ পোয়া শর্ষের তেলে ২ টি রসুন এর কোয়া বের করে ওই তেল গুলো করাইতে ভেজে নিবেন রসুন দিয়ে এবং ঐ তেল গুলো প্রতিদিন মালিস করুন হাতে পায়ে কোমরে দেখবেন ব্যথা থাকবেন না ও হবে না।

ধন্যবাদ। 

এখন প্রেগন্যান্ট হবে কিনা বলা সম্ভব না। আপনি অপেক্ষা করতে বলেন আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে মাসিক না হলে প্রেগন্যান্ট হবে না।আর মাসিক না হলে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন।

Hsc ফাস্ট ইয়ারে প্রথম সাব্জেক্ট গুলোর পরিক্ষা হবে এবং ফাস্ট ইয়ার থেকে সেকেন্ড ইয়ারে আসতে ফাস্ট ইয়ারের সব সাব্জেক্ট এর ফাইনাল পরিক্ষা দিয়ে সেকেন্ড ইয়ারে আসত হবে এবং সেকেন্ড ইয়ারের প্রিটেস্ট পরিক্ষায় ফাস্ট ইয়ারের বই গুলো ও সেকেন্ড ইয়ারের বইগুলো সহ সব গুলো বইয়ের পরিক্ষা হবে এবং প্রথম পত্রের পরিক্ষা প্রথম সাব্জেক্ট থেকে হবে ও ২য় সাব্জেক্ট এর পরিক্ষা ২য় সাব্জেক্ট থেকে হবে। এবং HSC থেকে ফাইনাল পরিক্ষা যখন হবে বোর্ড প্রশ্ন থেকে ঠিক সেখানেও প্রথম পত্রের পরিক্ষা প্রথম সাব্জেক্ট থেকে হবে ও ২য় সাব্জেক্ট এর পরিক্ষা ২য় সাব্জেক্ট থেকে হবে এবং ফোর সাব্জেক্ট এর পরিক্ষা সেই সাব্জেক্ট থেকেই হবে।

আশা করি বুঝতে পারছেন।


আপনার পরিক্ষার সার্টিফিকেট এর সকল তথ্য অনুযায়ী আপনার nid কার্ড এর ফরম পূরন করুন। এতে কোন সমস্যা হবে না আশা করি।