4 Answers

রসুল সাঃএর পথে চলুন।মুনাফিক ও কুফুরি থেকে বিরত থাকতে পারবেন।কেনোনা,রসুল সাঃ কখনো মুনাফিকি করে নাই এবং কোনোপ্রকার কুফুরি করেনাই।তাই তার অনুসরন করুন।

2883 views

নিশ্চয়ই শিরক হচ্ছে অধিকতর যুলুম। শিরক থেকে বাঁচার উপায় হলো। আল্লাহ তায়ালা এক অদ্বিতীয় তা কোন শরীক নেই। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি। এবং তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। এই কথাটুকু মনে প্রানে বিশ্বাষ করবেন। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ চারটি দোষ যার মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে সে খাঁটি মুনাফিক। আর যার মধ্যে এ দোষ গুলোর একটি বর্তমান রয়েছে তার ত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকীর একটি স্বভাব থেকে যায়। (১) যখন সে কথা বলে মিথ্যা বলে। (২) সে সন্ধি চুক্তি করলে তা ভঙ্গ করে। (৩) সে ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং (৪) সে ঝগড়া করলে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে। [সহীহ মুসলিম, হাদিস নম্বরঃ ১১৩] এই গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলি এড়িয়ে চলবেন।

2883 views

এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ বর্তমান সময় এ। কারণ বর্তমান এ সব ই ধোঁকা বাজি তে চলছে এর মধ্যে থেকে নিজেকে শিরক ও মিনাফিকি থেকে বাঁচিয়ে রাখা মুশকিল। আপনার মনে সন্দেহ হলে সেই কাজ  করবেন না। যেমনঃ কারো কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়া। এটা। কোন পীর এর মুরিদ হওয়া। কোন বাবার মুরিদ হওয়া ইত্যাদি গুলা শিরক।

2883 views

শিক র থেকে বাঁচার উপায় পড়ুন :  (১) গায়রুল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে লেখা তাবীয, ফিরিশতা, জিন, নবী, অলি প্রভৃতির নাম লিখে তৈরি তাবীয, বিভিন্ন সংখ্যা বা হিজিবিজি লিখে তৈরি তাবীয। (২) কোন ধাতু, মাটি, গাছের ছাল বা শিকড়, পশুর লোম বা পাখির পালক, হাড়, কড়ি, কাপড় বা সুতো ইত্যাদি মাদুলিতে ভরে তৈরি তাবীয। এই দুই শ্রেণির তাবীয ব্যবহার শিরক। কারণ ইবনে মাসউদ (রঃ) এর পত্নী জয়নাব (রঃ) কর্তৃক বর্ণিত, তিনি বলেন, “এক বুড়ি আমাদের বাড়ি আসা যাওয়া করত এবং সে বাতবিসর্প - রোগে ঝাড়ফুঁক করতেন। আমাদের ছিল লম্বা খুরো বিশিষ্ট খাট। (স্বামী) আব্দুল্লাহ বিন মসউদ যখন বাড়িতে প্রবেশ করতেন, তখন গলা সাড়া বা কোন আওয়াজ দিতেন। একদিন তিনি বাড়িতে এলেন। (এবং অভ্যাস মত বাড়ি প্রবেশের সময় গলা সাড়া দিলেন।) বুড়ি তার আওয়াজ শোনামাত্র লুকিয়ে গেল। এরপর তিনি আমার পাশে এসে বসলেন । তিনি আমার দেহ স্পর্শ করলে (গলায় ঝুলানো মন্ত্র পড়া) সুতো তার হাতে পড়ল। তিনি বলে উঠলেন, ‘এটা কি?’ আমি বললাম, ‘সুতা পড়া, বাতবিসর্প রোগের জন্য ওতে মন্ত্র পড়া হয়েছে।’ একথা শুনে তিনি তা টেনে ছিঁড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেন, ‘ইবনে মসউদের বংশধর তো শিরক থেকে মুক্ত।’ আমি রাসুল (সঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “নিশ্চয় মন্ত্র তন্ত্র, তাবীয কবচ এবং যোগ যাদু ব্যবহার করা শিরক।” জয়নাব (রঃ) বলেন, আমি বললাম, ‘কিন্তু একদা আমি বাইরে বের হলাম। হটাৎ করেই আমাকে অমুক লোক দেখে নিল। অতঃপর আমার যে চোখটা ঐ লোকের দিকে ছিল সেই চোখটায় পানি ঝরতে লাগলো। এর পর যখনই আমি ঐ চোখে মন্ত্র পড়াই, তখনই পানি ঝরা বন্ধ হয়ে যায়। আর যখনই না পড়াই, তখনই পানি ঝরতে শুরু করে। (অতএব বুঝা গেল যে, মন্ত্রের প্রভাব আছে।)’ ইবনে মসউদ  (রঃ) বললেন, “ওটা তো শয়তানের কারসাজি। যখন তুমি ( মন্ত্র পড়িয়ে ) ওর অনুগত্য কর, তখন সে ছেড়ে দেয়। (এবং তোমার চোখে পানি আসে না)। আর যখনই তুমি তার অনুগত্য কর না, তখনই সে নিজ আঙ্গুল দ্বারা তোমার চোখে খোঁচা মারে ( এবং তার ফলে তাতে পানি আসে, যাতে তুমি মন্ত্রকে বিশ্বাস কর এবং শিরকে লিপ্ত হয়ে পড়)। তবে যদি তুমি সেই কাজ করতে, যা আল্লাহর রাসুল (সঃ) করেছেন, তাহলে তা তোমার জন্য উত্তম ও মঙ্গল হতো এবং অধিকরূপে আরোগ্য লাভ করতে। আর তা এক যে, চোখে পানি ছিটাতে এবং বলতে, “আযহিবিল বা’স, রাব্বানা-স, ইসফি আন্তাস শা- ফী, লা সিফা-আ ইল্লা সিফ-উক, সিফা-আল লা য়্যুগা-দিরু সাকামা।”  (ইবনে মাজাহ ৩৫৩১ নং, সিলসিলাহ সহিহাহ ৩৩১ নং)  “আল্লাহর রাসুল (সঃ) এর নিকট (বাইয়াত করার উদ্দেশ্য) ১০ জন লোক উপস্থিত হল। তিনি ন’জনের নিকট থেকে বাইয়াত নিলেন। আর মাত্র একজন লোকের নিকট হতে বাইআত নিলেন না। সকলে বলল, ‘হয়ে আল্লাহর রাসুল! আপনি ন’জনের বাইয়াত গ্রহণ করলেন, কিন্তু এর করলেন না কেন?’ উত্তরে তিনি বললেন, “ওর দেহে কবচ রয়েছে তাই।” অতঃপর সে নিজ হাতে তা ছিঁড়ে ফেলল। সুতরাং তার নিকট থেকেও বাইয়াত নিলেন এবং বললেন, “যে ব্যক্তি কবচ লটকায়, সে ব্যক্তি শিরক করে।”  (  আহমাদ, হাকেম, সিলসিলাহ সহিহাহ ৪৯২ নং) (৩) কুরআনের আয়াত বা হাদিসের দুয়া লিখে বানানো তাবীয। এই শ্রেণীর তাবীয শিরক না হলেও ব্যবহার বৈধ নয়। কারণ (ক) মহানবী (সঃ) ব্যাপকার্থ বোধক ভাষায় বলেছেন, ‘তাবীয শিরক।’ (খ) এর বৈধতা ও ব্যবহার প্রচলিত হলে শিরকী তাবীযের চোরা পথ খোলা যাবে।  (গ) এই তাবীযের মাধ্যমে কুরআন ও আল্লাহর নামের অসম্মান হবে। যেহেতু ব্যবহারকারী তা দেহে রেখেই  প্রস্রাব পায়খানা ও সঙ্গম করবে এবং মহিলারা মাসিক অবস্থায় তা বেঁধেই রাখবে। (লাজনাহ দায়েমাহ)

2883 views

Related Questions