1 Answers
উদ্দীপকের তথ্যানুসারে পার্থিবের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমার অন্তর্ভুক্ত। পার্থিবের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুটির সামাজিক সংগঠনের সাথে বাঙালি সমাজের ভিন্নতা লক্ষ করা যায়।
চাকমাদের সামাজিক সংগঠন আদাম বা পাড়া, গ্রাম বা মৌজা ও চাকমা সার্কেল প্রভৃতি ভাগে বিভক্ত কিন্তু বাঙালি সমাজ ব্যবস্থায় এ ধরনের বিভাজন নেই বললেই চলে। কতকগুলো চাকমা পরিবার নিয়ে আদাম গঠিত হয় অন্যদিকে বাঙালি সমাজ ব্যবস্থায় কতকগুলো পরিবার নিয়ে গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়। আদাম গুলো নিয়ে গঠিত হয় গ্রাম অন্যদিকে বাঙালি সমাজে গোষ্ঠী সম্প্রসারিত হয়ে গ্রামের সৃষ্টি হয়। চাকমা সমাজের কয়েকশ মৌজা বা গ্রাম মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয়। এর প্রধান হচ্ছে চাকমা রাজা, যারা বংশ পরস্পরায় নিযুক্ত হন। কিন্তু বাঙালি সমাজ ব্যবস্থায় এরুপ সার্কেল দেখা যায় না।
তাই আলোচনার সমাপ্তিতে বলা যায়, একই দেশভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও চাকমা এবং বাঙালিদের সামাজিক সংগঠনের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।