1 Answers

উদ্দীপক দ্বারা নির্দেশকৃত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী তথা সাঁওতালদের আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন একটি নির্দিষ্ট পরিমণ্ডলে আবদ্ধ।

সাঁওতালদের জীবিকার প্রধান উপায় কৃষি। বলতে গেলে প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ সাঁওতাল পরিবার ভূমিহীন। এদের জীবিকার প্রধান উৎস কৃষি হলেও এরা মূলত কৃষিশ্রমিক এবং কেউ কেউ গোচাষি। এছাড়া কিছু ছোট কৃষক রয়েছে। সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য ভাত। সাঁওতাল মেয়েরা কাঁধের ওপর জড়িয়ে শাড়ি পরে। পুরুষরা লুঙ্গি পরে। এরা ছন বা খড়ের তৈরি ঘরে বাস করে। প্রতিটি সাঁওতাল গ্রামে হাট বা মেলার ব্যবস্থা আছে। সাঁওতাল পরিবারে পিতাই পরিবারের প্রধান। এদের নিজস্ব ভাষা আছে। এরা হিন্দু ও খ্রিস্ট ধর্মের অনুসারী।

সাঁওতালরা ভূতপ্রেতের উপাসনা করে থাকে। সাঁওতালদের শ্রেষ্ঠ দেবতা হলো চান্দো। সাঁওতাল সমাজে ঝুমুর গান বেশ প্রচলিত। বছরে মোট পাঁচটি পর্ব সাঁওতাল সমাজে দেখা যায়। সাঁওতালদের বিয়েতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এরা চাল থেকে 'হারিয়া' নামক এক ধরনের মদ তৈরি করে। পুরুষ ও মহিলারা সবাই এই মদ খায়। বিশেষ করে উৎসবের সময় এরা মদ খেয়ে নৃত্য পরিবেশন করে। মেয়েরা উৎসবের সময় হাত-পা ও গলায় পিতলের বা নিরেট কাসার গয়না পরে। পুরুষদের কেউ কেউ গলায় মালা ও হাতে বালা পরে থাকে।

4 views

Related Questions

পৃথিবীর ধনী দেশগুলোতে অসমতার বিস্ফোরণ ঘটেছে তা ঠিক, কিন্তু গত কয়েক দশকে যে গরিব মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে তা-ও বলা দরকার। ১৯৮০ থেকে ২০১৬ সাল এই সময়ের আয়ের নিরিখে নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের আয় দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও অর্ধেক কমেছে। ইতিহাসের আর কোন সময়ে এত মানুষ এত অল্প সময়ে দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেনি। জীবনমানের উন্নতিও হয়েছে ব্যাপক। এমনকি যারা এখনও গরিব, তাদের জীবনেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৯০ এর দশকের পর সারা বিশ্বে সন্তান জন্মদানের সময় মৃত্যুহারের অর্ধেক কমেছে। নবজাতকের মৃত্যুর হারও একইভাবে কমেছে এবং এতে দশ কোটি বেশি শিশুর জীবন রক্ষা পেয়েছে। আজ যেসব দেশে বড় ধরনের সামাজিক গোলযোগ নেই, সেইসব দেশের প্রায় সব শিশুই প্রাথমিক শিক্ষা পাচ্ছে। (Translate into English)
1 Answers 4 Views