1 Answers

রুবেলের দেখা মারমা ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়।

মারমারা নদীর তীরে সমতল স্থানে তাদের গ্রামগুলো নির্মাণ করে। এদের ঘরবাড়ি বাঁশ ও ছনের তৈরি। মারমা নারীরা গায়ে যে ব্লাউজ পরে তার নাম আঞ্জি এবং তারা থামি পরে। মারমা নারীরা কাপড় বোনার কাজে বেশ দক্ষ। তারা হস্তচালিত ও কোমর উভয় ধরনের তাঁত ব্যবহার করে। মারমা পুরুষরা মাথায় এক ধরনের পাগড়ি পরে। গায়ে জামা ও লুঙ্গি পরে। মারমারা তাদের খাদ্য হিসেবে ভাতের সাথে মাছ, মাংস ও নানা ধরনের শাকসবজি খায়। মারমারা নতুন বর্ষবরণ উপলক্ষে সাংগ্রাই উৎসব পালন করে।

অপরদিকে সাঁওতালরা মাটির ঘরে বাস করে। এদের প্রধান খাদ্য ভাত। সাঁওতাল মেয়েরা কাঁধের উপর জড়িয়ে শাড়ি পরে এবং পুরুষরা পরে লুঙ্গি। এছাড়া সাঁওতালরা বেশ অলঙ্কার প্রিয় যেটি মারমাদের মধ্যে দেখা যায় না। মেয়েদের পাশাপাশি অনেক পুরুষও অলঙ্কার ব্যবহার করে। সাঁওতালদেরও কিছু নিজস্ব উৎসব রয়েছে। যেমন- সোহরাই এবং ফাগুয়া। এছাড়া তাদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো 'ঝুমুর নাচ'। সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ। সাঁওতাল পরিবারের ছেলেমেয়েরা বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতে আগ্রহী হচ্ছে।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বাংলাদেশের বসবাসরত মারমা ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠী দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির অধিকারী।

6 views

Related Questions

Translations: Bengali to English: বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষন্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওজন বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিষন্নতা ঘিরে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষন্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভােগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। ওজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমােনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষন্নতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
1 Answers 7 Views
বৈশ্বিক মহামারির সময়ে স্থূলতা ও বিষণ্নতার হার অনেক বেড়ে গেছে। গবেষকদের মতে, বিষণ্নতার সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ওয়ান বাড়লে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটে, আরও বিদ্যুতা দিয়ে ধরে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে বিষণ্নতা বেশি দেখা যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাভাবিক ওজনের মানুষের চেয়ে স্থূলতার সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগের হার প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। এজন বৃদ্ধির পরিণতি স্বীকার করতে হয় নারীদের বেশি। অতিরিক্ত মেদ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে, যা তাঁদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে ও বিষণ্ণতা যা মন খারাপের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। (Translations Bengali to English)
1 Answers 8 Views