1 Answers

উদ্ভূত জলাবদ্ধতা পরিস্থিতিতে ক্ষতি এড়াতে কদ্দুস মিয়া ব্রি ধান ৫১ ও ব্রি ধান ৫২ জাতের ধান চাষ করতে পারতেন। কারণ ঢল বন্যাপ্রবণ এলাকায় আমন মৌসুমে চাষাবাদের জন্য ২০১০ সালে এ জাত দুটি অনুমোদন লাভ করে।
ব্রি ধান ৫১: এ জাতের গাছের উচ্চতা ৯০ সে.মি.। এ জাতটির চারা রোপণের এক সপ্তাহ পর ১০-১৫ দিন পানির নিচে ডুবে থাকলেও চারা মরে না বিধায় ফলন কমে না। বন্যামুক্ত পরিবেশে এ জাতের জীবনকাল ১৪০-১৪৫ দিন ও ফলন ৪.৫-৫.০ টন/হেক্টর এবং বন্যাকবলিত হলে জীবনকাল ১৫৫-১৬০ দিন ও ফলন ৪.০-৪.৫ টন/হেক্টর।
ব্রি ধান ৫২: এ জাতটির গাছের উচ্চতা ১১৬ সে.মি. চারা রোপণের এক সপ্তাহ পর ১২-১৪ দিন পানির নিচে ডুবে থাকতে পারে। বন্যামুক্ত পরিবেশে এ জাতের জীবনকাল ১৪০-১৪৫ দিন ও ফলন ৪.৫-৫.০ টন/হেক্টর এবং বন্যা কবলিত হলে জীবনকাল ১৫৫-১৬০ দিন ও ফলন ৪.০-৪.৫ টন/হেক্টর।
অতএব বলা যায়, বন্যা কবলিত অবস্থাতেও উক্ত জাত দুইটি ফলন দিতে সক্ষম হওয়ায় ধান দুইটির যেকোনো একটি জাত চাষ করলে কদ্দুস মিয়া ক্ষতি এড়াতে পারতেন।

5 views

Related Questions