1 Answers

উদ্দীপকের 'B' দেশের সরকারের হস্তক্ষেপে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। আর অর্থনৈতিক সাম্য সমাজের সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
যোগ্যতা অনুযায়ী প্রত্যেকের কাজ করার ও ন্যায্য মজুরি পাওয়ার সুযোগকে অর্থনৈতিক সাম্য বলে। 'B' দেশে এ অর্থনৈতিক সাম্যই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেননা 'B' দেশের নারীরা কারখানায় পুরুষ শ্রমিকদের চেয়ে কম বেতন পেতো। পরবর্তী সময়ে সরকারের হস্তক্ষেপে নারী-পুরুষ সমান বেতন-ভাতা পায় অর্থাৎ অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক সাম্য ধর্ম-বর্ণ, নারী- পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমাজের সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
অথনৈতিক সাম্যের মূলকথা হচ্ছে, দক্ষতা ও যোগ্যতানুসারে আয় এবং সম্পদে প্রত্যেক ব্যক্তির সমান সুযোগ-সুবিধা লাভ। কিন্তু আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রেই এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়। যেমন- পুরুষের সমান পরিশ্রম করেও নারীরা পুরুষের তুলনায় কম বেতন পায়। কিশোর শ্রমিকরা প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিকদের মতো কাজ করেও ন্যায্য মজুরি লাভে ব্যর্থ হয়। আবার দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু পেশায় নারীরা নিয়োগ পায় না। অথচ সমাজের সর্বক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে, জনগণের জীবনযাত্রার মানবৃদ্ধিসহ জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায়, অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রের অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। তাই সমাজের সর্বক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা অত্যাবশ্যক।

5 views

Related Questions