1 Answers
ঘটনা-২ প্রাচীন যুগের বর্ণপ্রথাকে ইঙ্গিত করে। এ প্রথা সমাজের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
প্রাচীন বাংলার হিন্দু সমাজব্যবস্থার একটি অন্যতম দিক জাতিবর্ণপ্রথা। জাতিবর্ণ বলতে বোঝায় এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে ব্যক্তির মর্যাদা, পেশা, বিবাহ ইত্যাদি জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়। এখানে ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো মূল্য নেই। ফলে ব্যক্তির প্রতিভা, মেধা, কর্মক্ষমতা, দক্ষতা প্রভৃতি থাকা সত্ত্বেও তার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটাতে পারে না। ফলে সমাজের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হয়ে, তা আরও বাধাগ্রস্ত হয়।
বর্ণপ্রথা অনুযায়ী নিচু বর্ণের একটি ছেলের অধ্যাপনা বা শিক্ষকতা করার যোগ্যতা থাকলেও এ পেশা ব্রাহ্মণদের জন্য নির্ধারিত বলে সে এ পেশা গ্রহণ করতে পারে না। জাতিবর্ণপ্রথার কারণে তার দ্বারা সেই কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আর আশা করা যায় না। ফলে সমাজের উন্নতি ব্যাহত হয়। উপরের আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, জাতিবর্ণ প্রথা সমাজের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করে।