1 Answers
সোনালীর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষকের মন্তব্য ছিল- "রঙের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিত্বকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব"।
পোশাকের জন্য মানানসই রং নির্বাচন করে ব্যক্তিকে আরও মাধুর্যময় করে তোলা যায়। আবার যে রং মানায় না সে রঙের পোশাক পরলে মানুষকে মলিন দেখায়। রং চেহারার মধ্যে পরিবর্তন আনতে পারে। পোশাকের রং সঠিকভাবে নির্বাচন করলে একটি সাধারণ মেয়েকে অসাধারণ মনে হবে। বয়স, ব্যক্তিত্ব, উপলক্ষ ইত্যাদি অনুসারে পোশাকে উপযুক্ত রং নির্বাচনে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।
পোশাকের ত্রুটিপূর্ণ রং নির্বাচন ব্যক্তির সৌন্দর্য বা ব্যক্তিত্বকে ম্লান করে দিতে পারে। পোশাকের রং নির্বাচন করার সময় তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সঠিক রং নির্বাচনে দেহত্বক বাহ্যিক দৃষ্টিতে আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। গায়ের রং শ্যামবর্ণ হলে হালকা উজ্জ্বল রঙের পোশাকে তাকে ফর্সা লাগে। এছাড়া রং পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যক্তি বিশেষকে বাহ্যিক দৃষ্টিতে মোটা বা পাতলা হিসেবে উপস্থাপন করা যায় এবং দেহাকৃতিরও পরিবর্তন করা যায়। রং পোশাকের ডিজাইনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই দেহত্বক ও শারীরিক গঠনকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন রঙের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
একই রং সবাইকে মানায় না। যার কারণে একই রঙের একই ডিজাইনের কাপড় পরিধানের পরও শ্যামলা রঙের সোনালীকে রেশি মানিয়েছে। এসবই রঙের কারণে। তাই প্রশিক্ষকের মন্তব্যটি যথার্থ।