1 Answers
'সঠিক ইতিহাস সত্যকে নির্ভর করে রচিত' এই সত্যনির্ভর ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে- প্রশ্নোক্ত এ বক্তব্যটি যথার্থ।
একটি সত্যনির্ভর ইতিহাস মানুষকে যেমন সত্যের পথে ধাবিত করে তেমনি এ সত্যনির্ভর ইতিহাস থেকে পাওয়া শিক্ষা তাকে পরবর্তী জীবন গঠনে উপযুক্ত দিকনির্দেশনা প্রদান করে। কেননা, সত্যনির্ভর ইতিহাস সচেতন নাগরিক সৃষ্টির পাশাপাশি দেশ ও জাতির অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। ইতিহাস পাঠ মানুষকে অতীতের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান অবস্থা বুঝতে ও ভবিষ্যৎ অনুমান করতে সাহায্য করে। এর ফলে মানুষ নিজের ও দেশের মঙ্গল-অমঙ্গলের পূর্বাভাস পাওয়ার পাশাপাশি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে পারে।
ইতিহাস পাঠ মানুষের জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। আর এ বিবরণ যদি হয় নিজ দেশ ও জাতির সফল সংগ্রাম ও গৌরবময় ঐতিহ্যের, তাহলে তা মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে এবং আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তোলে। বিভিন্ন মানবগোষ্ঠীর উত্থান-পতন এবং সভ্যতার বিকাশ ও পতনের কারণগুলো জানতে পারলে মানুষ ভালো-মন্দের পার্থক্য সহজেই বুঝতে পারে। ফলে সে তার কর্মের পরিণতি সম্পর্কে সচেতন থাকে। তাছাড়া সত্য ইতিহাস পাঠ করলে বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ে, জ্ঞানচর্চার প্রতি আগ্রহ জাগে, যা বাস্তব জীবনে চলার জন্য উৎকৃষ্টতম শিক্ষা।
উপরের আলোচনা শেষে তাই সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়, সত্যনির্ভর ইতিহাস বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারে।