1 Answers

উদ্দীপকে প্রাচীনকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে স্যার সাথে বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। স্বাভাবিকভাবে মানুষের জীবিত থাকার সময় ধরা হয় একশত বৎসর। এই শত বর্ষের জীবনকে চারটি স্তরে বা আশ্রমে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি বিভাগের সময়সীমার গড় পঁচিশ বছর। প্রথম পঁচিশ বছরকে বলা হয় ব্রহ্মচর্য আশ্রম। উদ্দীপকে দেখা যায়, সাধক ও ধর্মগুরু শ্রী সত্যানন্দ গোম্বামী শিষ্যদের নিয়ে একটি আশ্রমে বাস করেন এবং সেখানে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে নিয়মিত পূজা-পার্বণ, উপাসনা, সন্ধ্যা, আহ্নিক ইত্যাদি হয়। এটি প্রাচীন ব্রহ্মচর্যাশ্রমের দৃশ্যপট। মানুষের পাঁচ বছর বয়স হলেই তাকে গুরুগৃহে গমন করে ব্রহ্মচর্য জীবন শুরু করতে হয়। গুরুর নিকট দীক্ষাগ্রহণ, গুরুর তত্ত্বাবধানে পড়াশুনা করতে হয়। এটাই ব্রহ্মচর্যাশ্রম। এ আশ্রমে থেকে শিষ্যকে গুরুর নির্দেশে বহু শাস্ত্র অধ্যয়ন, আত্মসংযম, পরিশ্রম ও কঠোর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে হয়। কিন্তু বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের ধরন এরকম নয়। আধুনিককালে শিষ্যকে আর গুরুগৃহে অবস্থান করে শিক্ষা গ্রহণ করতে হয় না। বর্তমান সময়ের বিদ্যার্থীরা স্কুল-কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ে যায় এবং শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে শিক্ষা অর্জন করে থাকে। উদ্দীপকে আলোচিত প্রাচীনকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের সাথে বর্তমানকালের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের মধ্যে এরূপ পার্থক্যই পরিলক্ষিত হয়।

6 views

Related Questions