1 Answers

বিচারকের রায়ের সাথে নৈতিকতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। কেননা, অনৈতিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা ভুল হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে না।
আদিম সমাজ ব্যবস্থায় সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই যাবতীয় বিবাদের মীমাংসা করতেন। পরবর্তীকালে রাজা, বাদশা, দলপতি বা জ্ঞানীজন বিবাদ মীমাংসায় এগিয়ে আসেন। তারা নিজস্ব বুদ্ধির ভিত্তিতে বিচারকার্য করতেন। যা পরবর্তীতে আইন হিসেবে গণ্য হয়। বর্তমান সময়েও কোনো কোনো জটিল মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়। এক্ষেত্রে বিচারকরা তাদের নীতি-নৈতিকতা ও বুদ্ধির ভিত্তিতে রায় প্রদান করেন।
বিচারকদের দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। তাই কোনো মামলায় প্রচলিত আইন প্রযোজ্য না হলে বিচারকরা সততা, ন্যায় ও নীতিবোধের আলোকে নতুন আইন তৈরি করে মামলার রায় দেন। অর্থাৎ, বিচারকগণ অনৈতিকভাবে বা নিজের খুশিমতো রায় দিতে পারেন না। কারণ তাতে ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিচারকদের ন্যায়নীতিবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব বিচারব্যবস্থার ওপর পড়ে। তাই নৈতিকতার ভিত্তিতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা বিচারকদের পবিত্র দায়িত্ব।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, রায় প্রদানের ক্ষেত্রে বিচারকদের নৈতিকতাসম্পন্ন হতে হবে। কেননা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে এর কোনো বিকল্প নেই।

5 views

Related Questions