1 Answers
জনাব 'ক' একজন সুনাগরিক- উক্তিটি যথার্থ।
রাষ্ট্রের সব নাগরিক সুনাগরিক নয়। আমাদের মধ্যে যে বুদ্ধিমান, সে সব সমস্যা সহজে সমাধান করতে পারে। যার বিবেক আছে, সে ন্যায়-অন্যায়, সৎ-অসৎ বুঝতে পারে এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকে। আর যে আত্মসংযমী সে বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করতে পারে। এসব গুণসম্পন্ন নাগরিকদের বলা হয় সুনাগরিক। অর্থাৎ সুনাগরিকের প্রধানত তিনটি গুণ থাকে। যথা- ১. বুদ্ধি, ২. বিবেক ও ৩. আত্মসংযম।
উদ্দীপকের জনাব 'ক'-এর মধ্যে সুনাগরিকের এ তিনটি গুণই রয়েছে। তিনি বুদ্ধিমান বলেই নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে দাঁড় করাতে পেরেছেন। একজন বিবেকবান নাগরিক হিসেবে তিনি ব্যবসার কার্যক্রমে সৎ থেকেছেন, বন্যার সময় কর্মচারীদের নিয়ে গ্রামে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়া সব লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে ব্যবসা করেন এবং তার আয়ের নির্ধারিত অংশ সরকারকে কর প্রদান করে সর্বোচ্চ করদাতার পুরস্কার পেয়েছেন। এর মাধ্যমে তার আত্মসংযমের প্রকাশ ঘটেছে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, সুনাগরিক হতে হলে একজন ব্যক্তিকে বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম- এ তিনটি গুণের অধিকারী হতে হয়। জনাব 'ক' এর মধ্যে সুনাগরিকের এ গুণাবলি রয়েছে। তাই তিনি একজন সুনাগরিক।