1 Answers
উদ্দীপকের চুক্তির ফলে ট্রান্সকম লিমিটেড ব্যবসায়ের অর্থসংক্রান্ত, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনাগত কিছু সুবিধা ও অসুবিধা ভোগ করবে বলে আমি মনে করি।
বর্তমানে ফ্রানসাইজিং পদ্ধতিতে ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এ ব্যবসায়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড আমেরিকার KFC-এর সাথে একটি ফ্রানসাইজিং চুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করে।
চুক্তি অনুযায়ী ট্রান্সকম লিমিটেড মাসিক বিক্রির ওপর কমিশন দেবে। আবার কিছু শর্তও মেনে চলতে হবে। ফ্রানসাইজিং-এর মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করায় ট্রান্সকম লিমিটেড কিছু সুবিধা লাভ করবে। KFC একটি খ্যাতনামা কোম্পানি। এ চুক্তির মাধ্যমে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC-এর পণ্য বাজারজাতকরণ, কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং যেকোনো সময় KFC-এর কাছ থেকে অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে। এছাড়া KFC ট্রান্সকম লিমিটেডকে ব্যবসায় সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শও দেবে। এ ধরনের ব্যবসায়ের কিছু অসুবিধাও আছে। KFC বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেডের কার্যক্রমের ওপর কড়াকড়িভাবে নজরদারি করবে। চুক্তিপত্রে উল্লিখিত শর্ত অমান্য করলে KFC ট্রান্সকম লিমিটেডের সাথে চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এছাড়া, এ ধরনের ব্যবসায় শুরু করার জন্য ট্রান্সকম লিমিটেডকে বেশি পরিমাণ বিনিয়োগ করতে হবে। তাই বলা যায়, ফ্রানসাইজিং চুক্তির ফলে ট্রান্সকম লিমিটেড উল্লিখিত সুবিধা-অসুবিধাগুলোর সম্মুখীন হতে পারে।