1 Answers

ট্রান্সকম লিমিটেড ও KFC-এর মধ্যকার চুক্তিটি হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি।
ফ্রানসাইজিং চুক্তির মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার, এর পণ্য তৈরি, বিক্রি বা বিতরণ করার অধিকার পাওয়া যায়। এ চুক্তিতে ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি এ দুটি পক্ষ থাকে।
উদ্দীপকে বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড আমেরিকার KFC-এর সাথে একটি ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষর করে। এখানে ট্রান্সকম লিমিটেড হলো ফ্রানসাইজি এবং KFC হলো ফ্রানসাইজর। চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে ট্রান্সকম লিমিটেড KFC-এর পণ্য বাংলাদেশে বিক্রি করার একচ্ছত্র অধিকার পায়। এজন্য ট্রান্সকম লিমিটেডকে প্রথমে নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি ও পরে বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট হারে মুনাফার অংশ দিতে হবে। এ ব্যবসায়ের উৎপাদিত পণ্য যদি KFC (ফ্রানসাইজর) এর মানদণ্ড অনুযায়ী সঠিক না হয়, তাহলে যেকোনো সময় এ চুক্তি বাতিল হতে পারে। এটি ফ্রানসাইজিং চুক্তির বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে। যায়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের ট্রান্সকম লিমিটেড এবং আমেরিকার KFC-এর মধ্যকার চুক্তিটি ফ্রানসাইজিং-এর অন্তর্গত।

5 views

Related Questions