1 Answers

উদ্দীপকের শুভ চ্যাটার্জী ও হাতিলের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি হলো ফ্রানসাইজিং চুক্তি।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার এবং পণ্য তৈরি, বিক্রি বা বিতরণ করার ব্যবস্থা করা হয়। চুক্তি এর মূল ভিত্তি। ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে দুইটি পক্ষ থাকে- ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি। এই চুক্তি অনুযায়ী পণ্য মান ও সঠিক প্রক্রিয়ায় অনুসরণ হচ্ছে কিনা তা যাচাইয়ের জন্য ফ্রানসাইজর কর্তৃক মনিটরিং করা হয়।
উদ্দীপকের কলকাতার শুভ চ্যাটার্জী বাংলাদেশের হাতিলের সাথে একটি চুক্তির মাধ্যমে তাদের আসবাবপত্র সেখানে বিক্রি করছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের হাতিল ফার্নিচার হলো ফ্রানসাইজর এবং কলকাতার শুভ চ্যাটার্জী হলো ফ্রানসাইজি। শুভ চ্যাটার্জী হাতিলের নাম ব্যবহার করে ভারতে আসবাবপত্র বিক্রি করবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী শুভ চ্যাটার্জী হাতিলকে আসবাবপত্র বিক্রির ওপর কমিশন দিবে। এ চুক্তির ফলে উভয়ের ব্যবসায় সম্প্রসারিত হয়েছে। এসব বৈশিষ্ট্য ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের সাথে মিলে যায়। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের হাতিলের সাথে শুভ চ্যাটার্জী ফ্রানসাইজিং চুক্তি করেছে।

5 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views