1 Answers

রাবেয়া বেগম তার সন্তানদের মাঝে বস্তুবাচক সম্পদ ভাগ করে দেন। যে সম্পদ চাহিদা পূরণে সহায়ক তাই অমানবীয় বা বস্তুবাচক সম্পদ। যেমন- টাকা, জমি, বাড়িঘর, অলঙ্কার, রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি। স্কুল-কলেজ, বাজার ইত্যাদি আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক চাহিদা পূরণ করে এবং গৃহ ও সমাজ জীবনকে সহজ করে।

রাবেয়া বেগম তার সন্তানদের মধ্যে বস্তুবাচক সম্পদ ভাগ করে দেন। বস্তুগত সম্পদের মধ্যে অর্থ বা টাকা পয়সা সবচেয়ে মূল্যবান ও কার্যকর সম্পদ। এ সম্পদের বিনিময় মূল্য আছে এবং হস্তান্তরযোগ্য, দুর্লভ ও পরিমাপযোগ্য। অর্থ দ্বারা আমরা দ্রব্য ও সেবাকর্ম ক্রয় করে থাকি। এর সুষ্ঠু ব্যবহার জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দান করে। মূলত পরিবারের লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য মানবীয় ও বস্তুগত উভয় সম্পদই সম্মিলিতভাবে ব্যবহার করা হয়। সব সম্পদই যেহেতু মূল্যবান তাই এগুলোর ব্যবহারে আমাদের সচেতন হতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে রাবেয়া বেগমের সন্তানেরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। আর এজন্যই তিনি তার সন্তানদের মধ্যে সম্পদের যার যার অংশ একজন আইনজীবীর তত্ত্বাবধানে ভাগ করে দেন।

4 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views