1 Answers
রাবেয়া বেগম তার সন্তানদের মাঝে বস্তুবাচক সম্পদ ভাগ করে দেন। যে সম্পদ চাহিদা পূরণে সহায়ক তাই অমানবীয় বা বস্তুবাচক সম্পদ। যেমন- টাকা, জমি, বাড়িঘর, অলঙ্কার, রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি। স্কুল-কলেজ, বাজার ইত্যাদি আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক চাহিদা পূরণ করে এবং গৃহ ও সমাজ জীবনকে সহজ করে।
রাবেয়া বেগম তার সন্তানদের মধ্যে বস্তুবাচক সম্পদ ভাগ করে দেন। বস্তুগত সম্পদের মধ্যে অর্থ বা টাকা পয়সা সবচেয়ে মূল্যবান ও কার্যকর সম্পদ। এ সম্পদের বিনিময় মূল্য আছে এবং হস্তান্তরযোগ্য, দুর্লভ ও পরিমাপযোগ্য। অর্থ দ্বারা আমরা দ্রব্য ও সেবাকর্ম ক্রয় করে থাকি। এর সুষ্ঠু ব্যবহার জীবনে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দান করে। মূলত পরিবারের লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য মানবীয় ও বস্তুগত উভয় সম্পদই সম্মিলিতভাবে ব্যবহার করা হয়। সব সম্পদই যেহেতু মূল্যবান তাই এগুলোর ব্যবহারে আমাদের সচেতন হতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে রাবেয়া বেগমের সন্তানেরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। আর এজন্যই তিনি তার সন্তানদের মধ্যে সম্পদের যার যার অংশ একজন আইনজীবীর তত্ত্বাবধানে ভাগ করে দেন।