1 Answers
উদ্দীপকে সংবিধান বিষয়টি প্রতীয়মান হয়েছে।
সংবিধান একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। এই দলিল লিখিত বা অলিখিত হতে পারে। বাংলাদেশের সংবিধান একটি লিখিত দলিল। দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ আর রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণ এই সংবিধান লাভ করে। এই সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সরকার ১৯৭২ সালের ২৩শে মার্চ 'গণপরিষদ' আদেশ জারি করে। বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র কাজ। গণপরিষদের অধীনে সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি কমিটি করা হয়। কমিটি ১৯৭২ সালের ১১ই অক্টোবরের মধ্যে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কাজ শেষ করে। ১৯শে অক্টোবর থেকে সংবিধান বিল সম্পর্কে গণপরিষদে সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ঠা নভেম্বর সংবিধান বিল গণপরিষদে পাস হয়। অতঃপর ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে সংবিধান কার্যকর হয়।
উদ্দীপকে একটি বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলা 'হয়েছে, এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দলিল। এটি সুপরিবর্তনীয় ও দুষ্পপরিবর্তনীয়। এটি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় রচিত। লাখো শহিদের রক্তের বিনিময়ে এ দলিল অর্জন করা হয়। উদ্দীপকের এ বিষয়টির সাথে পূর্বে আলোচিত সংবিধানের তুলনা করলে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে বাংলাদেশের সংবিধানকে নির্দেশ করা হয়েছে।