1 Answers

উদ্দীপকের মাহমুদ আব্বাসের কর্মকান্ডের সাথে বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক কর্মকান্ডের সাদৃশ্য রয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির মূল কথা ছিলো- শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। তিনি এই নীতির আলোকে সমগ্র বিশ্বের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব একটা সহজসাধ্য ছিল না। কারণ পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত। বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বিভিন্ন ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের বৈরিতার মুখোমুখি হয়েও ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের একটি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদায় তিনি অধিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন, যা তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞাকেই নির্দেশ করে। ঠিক একইভাবে বঙ্গবন্ধুও স্বাধীনতার পর তার কূটনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে সারা বিশ্বের সমর্থন লাভে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের মাহমুদ আব্বাসের কর্মকান্ডের সাথে বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

4 views

Related Questions