1 Answers

দৃশ্যকল্প-১-এর মহেশ ভট্টাচার্য্যের কর্মকাণ্ডের সাথে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
রেনেসাঁ যুগের বাংলার অন্যতম মনীষী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। এদেশের শিক্ষা বিস্তারে তিনি অনন্য ভূমিকা রাখেন। তিনি স্কুল পরিদর্শক থাকাকালে গ্রামে-গঞ্জে ২০টি মডেল স্কুল ও ৩৫টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তার প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউট, যা বর্তমানে বিদ্যাসাগর কলেজ নামে খ্যাত। তিনি একজন সফল সমাজ সংস্কারকও ছিলেন। দেশে প্রচলিত নানা কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়ান। তার প্রচেষ্টায় হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ চালু হয়। তিনি কন্যাশিশু হত্যা ও বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধেও সংগ্রাম করেন। এছাড়া ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দান-দাক্ষিণ্যের জন্যও খ্যাত ছিলেন। এজন্য তাকে দয়ার সাগর বলা হতো। বহু অনাথ ছাত্র তার বাসায় থেকে লেখাপড়া করত। কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তকে তিনি প্রচুর অর্থ দিয়ে সাহায্য করেছেন। কবি নবীনচন্দ্র সেন তরুণ বয়সে বিদ্যাসাগরের অর্থে লেখাপড়া করেছেন।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এ বলা হয়েছে মহেশ ভট্টাচার্য্য এদেশে
শিক্ষাবিস্তার, জনহিতকর কাজ এবং দানের জন্য স্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি পিতার নামানুসারে ঈশ্বর পাঠশালা নামে একটি স্কুল এবং কুমিল্লায় একটি পাঠাগার স্থাপন করেন। তার এ কাজগুলো উপরে বর্ণিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মহেশ ভট্টাচার্য্যের কর্মকাণ্ডে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কর্মের প্রতিফলন ঘটেছে।

5 views

Related Questions