1 Answers

উদ্দীপকের প্রথম অনুচ্ছেদে বর্ণিত উত্তর ভিয়েতনামের স্বাধীনতা যুদ্ধ মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধেরই প্রতিচ্ছবি।
১৯৪৭ সালে দেশভাগ হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। বাংলাদেশ হয় পূর্ব পাকিস্তান। পশ্চিম পাকিস্তান সাংস্কৃতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রতিটি ক্ষেত্রেই পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করতে থাকে। বাঙালিরা এ শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে একত্র হয়ে অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশকে মুক্ত করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় সহযোগীরা বাঙালির ওপর যে নির্মম অত্যাচার ও হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে তার বিবরণ এখনও আমাদের শিহরিত করে।
উদ্দীপকের বর্ণনায় লক্ষণীয়, পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙতে ভিয়েতনামের সাম্যবাদীরা শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন ও যুদ্ধ করে দেশকে মুক্ত করে। কিন্তু ভিয়েতনামের জনগণ সে সময়ের বর্বরতা ভুলে যেতে পারেনি। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি ও ঘটনাও অনুরূপ, যা উপরে আলোচিত হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ভিয়েতনামের যুদ্ধ আমাদের মুক্তিযুদ্ধেরই প্রতিচ্ছবি।

6 views

Related Questions

মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। সবুজ বনভূমির মাঝে দৃষ্টিনন্দন হ্রদ আর লাল ইটের তৈরি ইমারত ক্যাম্পাসকে আরও নান্দনিক করে তুলেছে। পাশাপাশি এ- ক্যাম্পাস ‘সংস্কৃতির রাজধানী' নামেও পরিচিত। এ ছাড়া প্রতি বছর শীতকাল এলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জলাশয়গুলো অতিথি পাখিতে পূর্ণ হয়ে যায়। তাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে অতিথি পাখির ক্যাম্পাস হিসেবেও অনেকে চেনেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাসকে ভিত্তি করে নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য এ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সবুজের মাঝে কংক্রিট বা ব্রোঞ্জে তৈরি ভাস্কর্যগুলো দাঁড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি হয়ে । এসব ভাস্কর্য এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস পৌছে দিচ্ছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও চেতনাকে স্মরণ রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ করা হয় ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক'। যুদ্ধে জয়লাভ অথবা মৃত্যু – এই শপথে আবদ্ধ থেকে লড়াই করেন। যে অকুতোভয় বীর, তিনিই সংশপ্তক। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপিত এই ভাস্কর্যটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত, এক পা হারিয়েও রাইফেল হাতে লড়ে যাওয়া দেশমাতৃকার এক বীরসন্তানকে। ভাস্কর্যটির নির্মাতা শিল্পী হামিদুজ্জামান খান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ব্রোঞ্জের অবয়বে প্রতীকী ব্যঞ্জনায় প্রকাশ করার চেষ্টা করেছেন। আজকের প্রজন্মের কাছে ভাস্কর্যটি যে-কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের অনিঃশেষ প্রেরণা। হিসেবে কাজ করে।
1 Answers 6 Views