1 Answers

উদ্দীপকের ২য় অনুচ্ছেদে মধ্যযুগের স্থাপত্য ও চিত্রকলার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

মধ্যযুগে মুসলমান শাসকগণ স্থাপত্যকর্মে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এ সময়ের শাসকগণ নিজেদের রাজ্যজয় ও শাসনকালকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন সময়ে অনেক প্রাসাদ, মসজিদ, কবর, দরগাহ ইত্যাদি নির্মাণ করেছিলেন। মসজিদ নির্মাণকে মুসলমান শাসকগণ অতিশয় পুণ্যের কাজ বলে বিবেচনা করতেন। সুলতানি আমলের স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে এখনও অনেক স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে। গৌড়ের আদিনা মসজিদ, বড় সোনা মসজিদ, ছোট সোনা মসজিদ, কদম রসুল, দাখিল দরওয়াজা, পান্ডুয়ার এক লাখি মসজিদ, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, ঢাকার বাবা আদমের মসজিদ, লালবাগের শাহি মসজিদ, হোসেনী দালান ইত্যাদি মধ্যযুগের নির্মাণশৈলীর পরিচয় বহন করে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আমজাদ সাহেব ও তার ভাই একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যার নির্মাণশৈলী এমন কারুকার্যমণ্ডিত ছিল যে, বহুদুর থেকেও লোকে মসজিদটি দেখতে আসে। উদ্দীপকের এ মসজিদ মধ্যযুগের স্থাপত্যকর্ম ও চিত্রকলার প্রতিচ্ছবিকেই তুলে ধরে।

4 views

Related Questions