1 Answers

দৃশ্যকল্প-১-এ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজির প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি ছিলেন একজন দক্ষ তুর্কি সৈনিক। খাটো শরীর, লম্বা হাত ও কুৎসিত চেহারার জন্য তিনি গজনির শিহাবউদ্দিন ঘোরির সৈন্য বিভাগে এবং দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেকের দরবারে চাকরি লাভে ব্যর্থ হন। কিন্তু বখতিয়ার খলজি হতাশ হননি। তিনি বদাউনে গিয়ে সেখানকার শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিনের সৈন্যবিভাগে মাসিক বেতনে নিযুক্ত হন। কিন্তু নিজের কর্মশক্তিতে বিশ্বাসী বখতিয়ার সামান্য বেতনভোগী সৈনিক পদে সন্তুষ্ট ছিলেন না। কিছুদিন পর তিনি বদাউন ত্যাগ করে অযোধ্যা যান। সেখানে তার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়। তিনি অযোধ্যার শাসক হুসামউদ্দিনকে সাহস ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সন্তুষ্ট করে ভাগবত ও ভিউলি নামের দুটি পরগনার জায়গির লাভ করেন। এরপর বখতিয়ার তার কর্মকৌশল, সাহস ও বুদ্ধিমত্তার বলে একে একে বিহার, নদীয়া, গৌড় প্রভৃতি অঞ্চল জয় করতে সমর্থ হন।

উদ্দীপকের দৃশ্যপট-১-এ দেখা যায়, আফজাল সাহেব তার নিজ কর্মদক্ষতায় বিশ্বাসী। তিনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য শারীরিক গঠনের চেয়ে কর্মদক্ষতাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করতেন। আফজাল সাহেবের এমন বিশ্বাস দক্ষ তুর্কি সেনানায়ক বখতিয়ার খলজির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ বখতিয়ার খলজিও নিজের কর্মশক্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন। বখতিয়ার তার কদাকার শারীরিক গঠনের জন্য গজনি ও দিল্লির দরবারে চাকরি লাভে ব্যর্থ হলেও সাহস, বুদ্ধিমত্তা ও কর্মদক্ষতার বলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হন।

উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১-এ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজিরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

5 views

Related Questions