1 Answers
উদ্দীপকের যুদ্ধের সাথে পলাশির যুদ্ধের মিল লক্ষ করা যায়।
বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা তার নানা আলীবর্দি খানের মৃত্যুর পর মাত্র ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু খালা ঘসেটি বেগম, খালাতো ভাই শওকত জঙ্গ এবং রাজন্যবর্গ রায়দুর্লভ, উমিচাঁদ, রাজা রাজবল্লভ, জগৎশেঠ এবং সেনাপতি মীর জাফর তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন এবং ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। বিভিন্ন সংঘাতের পর ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির প্রান্তরে নবাবের বাহিনীর সাথে ইংরেজদের চূড়ান্ত যুদ্ধ সংঘটিত হয়। পূর্বোক্ত ব্যক্তিদের ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন এবং দেশের শাসনভার চলে যায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে।
উদ্দীপকের আসাদ তার নানার মৃত্যুর পরে ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। তবে পারিবারিক ষড়যন্ত্র, দরবারের প্রভাবশালী রাজন্যবর্গ ও সেনাপতির বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বিদেশি বাণিজ্য গোষ্ঠীর সাথে যুদ্ধে পরাজিত হন। রাজ্যের শাসনক্ষমতা চলে যায় বিদেশি বাণিজ্য গোষ্ঠীর হাতে। উদ্দীপকের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট ও পরিণতির সঙ্গে ইতিহাস খ্যাত পলাশির যুদ্ধের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।