1 Answers
উদ্দীপকের ১ম অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রকে পুনর্গঠন করার জন্য ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়ায় তিনি রেডক্রস সোসাইটি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটির মাধ্যমে জেলা থেকে গ্রাম পর্যায়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। ১৯৭২ সালের শুরুতে পুনর্বাসন কার্যক্রমের জন্য সরকারি হিসেবে মাসিকভিত্তিক এক চাহিদাপত্র তৈরি করা হয়। তিনি কৃষির উন্নয়নে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফসহ পূর্বের সমস্ত খাজনা মওকুফ করে দেন। শিক্ষাক্ষেত্রেও বঙ্গবন্ধু জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুনঃনির্মাণ করেন। এছাড়া নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে সরকার পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, দারিদ্র্য হ্রাস, প্রবৃদ্ধির হার ৩% থেকে ৫.৫%-এ উন্নীত করার জন্য পরিকল্পনা কমিশন গঠন করা হয়।
উদ্দীপকের লি কুয়ান স্বাধীন হওয়া রাষ্ট্রের ক্ষমতায় গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে তার নেতৃত্বেই সিঙ্গাপুর উন্নত রাষ্ট্র হয়। লি কুয়ানের গৃহীত পরিকল্পনা পূর্বে আলোচিত সদ্য স্বাধীন হওয়া রাষ্ট্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে গৃহীত উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্যের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।