1 Answers
দৃশ্যকল্প-২-এ বর্ণিত আন্দোলন অর্থাৎ ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবোধের ভীতকে দৃঢ় করে।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনন্য সাধারণ ঘটনা। পাকিস্তান রাষ্ট্রের বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে এটি ছিল বাঙালি জাতির প্রথম প্রতিবাদ ও বিদ্রোহ। বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম প্রেরণা। মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবমাননা বাঙালির মনকে প্রবল নাড়া দিয়েছিল। তারা বুঝতে পেরেছিল, পাকিস্তানিদের হাতে তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি কিছুই নিরাপদ নয়। এ আন্দোলনের ফলশ্রুতিতেই বাঙালির মাঝে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন হয়। যার ফলে সম্ভব হয় ষাটের দশকের স্বাধিকার আদায়ের রাজনৈতিক আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে স্বায়ত্তশাসনের দাবি থেকে স্বাধীনতার দাবি এবং তারই ফলে বীর বাঙালি মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভ করে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়।
দৃশ্যকল্প-২-এ অদ্রির দাদু শিক্ষা জীবনে অনেক অধিকার আদায়ের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন। তিনি মনে করেন বাংলা আমাদের অনেক আত্মত্যাগের ফসল। বাংলা ভাষার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অনেকে তাদের জীবন উৎসর্গ করেন, যা ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-২-এর ঘটনা ভাষা আন্দোলনকেই নির্দেশ করে।
পরিশেষে বলা যায়, ভাষা আন্দোলন ও এর প্রেরণা পরবর্তীতে বাঙালি জাতীয়তাবোধের ভীতকে দৃঢ় করে।