1 Answers
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনা অর্থাৎ ১৯০৫ সালের বক্তাভজোর ফলে বাংলার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় বলে আমি মনে করি।
পূর্ব বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাষর নেতৃত্বে বল্যন্ডলাকে স্বাগত জানায়। মুসলিম পত্র-পত্রিকাগুলোও সন্তোষ প্রকাশ করে। নতুন প্রদেশের জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলমান হওয়ার কারণে তারা শিক্ষা- দীক্ষা, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিকভাবে সুবিধা পাবে বলে বক্তাভকোর প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দেয়।
বকাভজোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যায় ফিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বক্তাভলোর বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। এ আন্দোলনে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, বিপিনচন্দ্র পাল, অরবিন্দ ঘোষ, অশ্বিনীকুমার দত্ত, বালগঙ্গাধর তিলকসহ গোখলের মতো উদারপন্থি নেতারাও অংশ নেন। এ আন্দোলন ক্রমে স্বদেশী আন্দোলনে রূপ নেয়। ফলে ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালে বজাভজা রহিত করেন।
তাই বলা যায়, বজাভঙ্গের ফলে বাংলার হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।