1 Answers
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত বিশ্বাসঘাতকের চরিত্রটি আমার পাঠ্যবইয়ের মীরজাফরের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির আমবাগানে ইংরেজ সৈন্যবাহিনী যখন দেশপ্রেমিক মীরমদন ও মোহনলালের আক্রমণে প্রায় পর্যুদস্ত তখন মীরজাফর যুদ্ধক্ষেত্রে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিলেন। গোলার আঘাতে মীরমদন নিহত হন এবং মীরমদনের মৃত্যুর সংবাদে নবাব সিরাজউদ্দৌলা বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি প্রধান সেনাপতি মীরজাফরকে তাৎক্ষণিক ডেকে পাঠান এবং বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অনুরোধ করেন। এ সময় বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার মিথ্যা শপথ করেন বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর। এদিকে মোহনলাল ও সিন ফ্রের বাহিনী যখন নবাবের বিজয়কে সুনিশ্চিতের পথে নিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে মীরজাফরের পরামর্শে নবাবের যুদ্ধবিরতির আদেশ দিয়ে অদূরদর্শিতার পরিচয় দেন। যুদ্ধবিরতির ফলে নবাবের বাহিনী যখন বিশ্রাম করছিল তখন মীরজাফরের ইঙ্গিতে ইংরেজ বাহিনী রণক্লান্ত নবাবের শিবির আক্রমণ করে সৈন্যদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এভাবে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকার কারণে নবাবের পরাজিত হন।
উদ্দীপকের শামীম ইংরেজ ঔপনিবেশিক শাসন সম্পর্কে গবেষণা করতে গিয়ে দুটি বিপরীত চরিত্রের দুজন ব্যক্তির সন্ধান পান। এদের মধ্যে একজন ছিলেন বিশ্বাসঘাতক। উপরের আলোচনায় স্পষ্ট যে, শামীমের গবেষণায় মীর জাফরের চরিত্রটি উঠে এসেছে।