1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত ভাষণের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এ ভাষণের গুরুত্ব অপরিসীম।

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা। এই ভাষণে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ- শাসন, বঞ্চনার ইতিহাস, নির্বাচনে জয়ের পর বাঙালির সাথে প্রতারণা ইত্যাদি বিষয় তুলে ধরে স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন। তার ঐ ভাষণ থেকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রেরণা পায়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর তাদের সামনে একটিমাত্র গন্তব্য নির্ধারিত হয়ে যায়, তা হলো 'স্বাধীনতা'। ৭ মার্চের ঘোষিত কর্মসূচির প্রতি সাড়া দিয়ে সর্বস্তরের জনগণ পূর্ব বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির বিরুদ্ধে গণহত্যা শুরু করে। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এতে উজ্জীবিত হয়ে বাঙালিরা রুখে দাঁড়ায়। পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

উদ্দীপকে বর্ণিত আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ ভাষণের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মিল রয়েছে। আব্রাহাম লিংকন তার ভাষণে ক্রীতদাসদের মুক্তির কথা ঘোষণা করেছিলেন। একইভাবে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে এদেশের মানুষের মুক্তির কথা বলেছেন। সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে ৭ই মার্চের ভাষণের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

7 views

Related Questions