1 Answers

উদ্দীপকে কৃষি বিজ্ঞানী কামাল সাহেবের দেওয়া ব্যবস্থাপনার প্রভাব কৃষিক্ষেত্রে অপরিসীম। নিচের বিশ্লেষণমূলক আলোচনা থেকে তা সহজেই বোঝা যায়।

উদ্ভিদের পুষ্পধারণ দিবা দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে এবং তার উপর ভিত্তি করে উদ্ভিদকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- (i) ছোট দিনের উদ্ভিদ (ii) বড় দিনের উদ্ভিদ ও (iii) আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ। উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পুষ্পায়নে আলোর মতো শৈত্যেরও প্রভাব রয়েছে। দেখা গেছে অনেক উদ্ভিদের অংকুরিত বীজে শৈত্য প্রদান করা হলে তাদের ফুল ধারণের সময় এগিয়ে আসে। শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভার্নালাইজেশন। অংকুরিত বীজে বা চারাতে শৈত্য প্রদান করে লাগালে ফসল আগাম সংগ্রহ করা যায়। এতে কৃষক লাভবান হয়। অনেক সময় ফসলকে আগাম সংগ্রহ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকেও রক্ষা করা সম্ভব। বীজে শৈত্য প্রয়োগ করে ফসলের আবাদ মৌসুম পরিবর্তন করা সম্ভব যা কৃষিতে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। সুতরাং বলা যায়, কৃষিতে কামাল সাহেবের দেওয়া ব্যবস্থাপনার প্রভাব অপরিসীম।

5 views

Related Questions