1 Answers

দৃশ্য-২-এ উল্লেখিত সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য রক্ষায় রবিন বিশ্বাসের ধর্মনীতি রাজা ধর্মপালের ধর্মনীতির অনুরূপ।

পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল। তিনি একজন সুদক্ষ শাসক ছিলেন। সমগ্র বাংলা ও বিহারব্যাপী তার শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। তিনি তার সাম্রাজ্যে বিক্রমশীল বিহার, সোমপুর বিহারসহ প্রায় ৫০টি বৌদ্ধধর্ম শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ধর্মপাল নিজে বৌদ্ধ হলেও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর প্রতি তার কোনো বিদ্বেষ ছিল না। প্রতিটি ধর্মের লোক যেন নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারে সেদিকে তিনি লক্ষ রাখতেন। একটি হিন্দু মন্দিরের জন্য তিনি করমুক্ত জমি দান করেছিলেন। এছাড়া তিনি যোগ্যতার ভিত্তিতে রাজকার্যে লোক নিয়োগ দিতেন। গর্গ নামক এক ব্রাহ্মণ যোগ্যতাবলেই ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

উদ্দীপকে দৃশ্য-২-এ দেখা যায়, রসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিন বিশ্বাস নিজ ধর্ম শিক্ষার জন্যে অনেক শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি নিজ ধর্মের পাশাপাশি অন্য ধর্মের লোক যেন তাদের ধর্ম ঠিকমত পালন করতে পারে সেদিকে লক্ষ রাখতেন। যেমনটি রাজা ধর্মপালের ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়।

উপরের তুলনামূলক আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, দৃশ্য-২-এ উল্লেখিত সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্য রক্ষায় রবিন বিশ্বাস পাল রাজা ধর্মপালের ধর্মনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

4 views

Related Questions